তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বৃহৎ একটি জেলা রাঙামাটি। পার্বত্য অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ হতদরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত হিমসিম খেতে হয়। তাদের অসুস্থতায় একমাত্র ঠিকানা রাঙামাটি সরকারি মেডিকেল। যেখানে সরকারি পাস করা ডাক্তার থাকলেও সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায়। এই মেডিকেলে XRY, ECG‘র মতো প্রাথমিক পরীক্ষার মেশিন থাকলেও নেই কোনও গজও মেশিন। মুমূর্ষু অবস্থায় রোগীদের লাইফ সার্পোটের জন্য নেই কোনও ICU/HDU ব্যবস্থা। এসবের জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয় চট্টগ্রাম শহরে। যেখানকার মানুষ দু‘মুঠো খাবার জোগাড় করতে হিমসিম খেতে হয় সেখানে আবার চট্টগ্রাম শহরে কীভাবে চিকিৎসা করতে পারবে? অনেকেই আসতে পারলেও সর্বশেষ মোটা অংকের টাকা গুনে দিতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। এতে শেষ নয় অনেকে আবার একটি অপরিচিত শহরের কোনকিছু বুঝে উঠতেই কিছু অসাধু মানুষদের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হয়ে ঘরে ফিরতে হয়। পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এর প্রতি আকুল আবেদন সার্বিক দিক তদারকির সাপেক্ষে উক্ত হাসপাতালে ICU/HDU সহ গজও মেশিনের মত গুরুত্বপূর্ণ মেশিন স্থাপন করে অসহায় হতদরিদ্র মানুষদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়ে আশার আলো জাগিয়ে তুলবেন বলে আশা রাখছি।
রথিন্দ্রজিৎ হিরু
চট্টগ্রাম।










