‘যতক্ষণ চরিত্র আছে, ততক্ষণই আমরা বেঁচে আছি। যখন চরিত্র–ধন যাবে, তখন আমাদের সব যাবে। চরিত্রবান মানুষ গৌরব, দেশের সম্পদ। জাতির বুদ্ধিশক্তি, প্রতিভা, নৈতিক মানদণ্ড এবং সভ্যতার পরিচয় নির্ণয়ে চরিত্র গঠন প্রয়োজন। স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব মানুষের চরিত্র গঠনের লক্ষ্যে ১৯১৪ সালে ব্যতিক্রমধর্মী এক আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন, যার নাম চরিত্র গঠন আন্দোলন।’ গতকাল শুক্রবার রাউজানের বিনাজুরী অখণ্ড মণ্ডলীর উপাসনা মন্দির প্রাঙ্গণে মণ্ডলীর উদ্যোগে অখণ্ডমণ্ডলেশ্বর স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের আবির্ভাব উৎসবে চরিত্র গঠনভিত্তিক ধর্মীয় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বজিত দত্ত। আলোচক ছিলেন ডা. মৃদুল কান্তি দে, ঝুমুর বৈদ্য, মনতোষ মজুমদার, মৃণাল কান্তি দাশ, রতন কুমার বণিক প্রমুখ।
জোটন শীল ও জয় সরকারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন মণ্ডলীর সাধারণ সম্পাদক বাবলু চৌধুরী। অখণ্ড সংগীত পরিবেশন করেন প্রণব বিশ্বাস, অহনা বিশ্বাস ও অনন্যা বিশ্বাস। অখণ্ড–সংহিতা থেকে পাঠ করেন ঐশী শীল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












