রাউজানের ডাবুয়া ইউনিয়নের যুবদল কর্মী আমান উল্লাহর (৩৮) ওপর হামলা করেছে একদল মানুষ। ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকা আমানকে স্বজনরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। গতকাল সোমবার সন্ধ্যার আগে এ ঘটনা ঘটে। আহত আমান উল্লাহ ডাবুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ডাবুয়া গ্রামের হাড়ি চাদ চৌধুরী বাড়ির মোহাম্মদ শাহ আলমের ছেলে। তিনি পেশায় টেক্সিচালক এবং রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসাবে পরিচিত।
জানা যায়, গত বছরের পাঁচ আগস্টের পর তিনি যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে এলাকার মানুষের সাথে নানাভাবে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন সময় মারধরের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা ছিল। অতিষ্ঠ স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে একাধিক অভিযোগও করে থানায়।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল আমান এলাকার একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নিতে এসেছিলেন। এ সময় বিক্ষুদ্ধ কিছু মানুষ তাকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে ফেলে রাখে। পরে স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
হাসপাতালে আমান উল্লাহর মা বলেন, আমার ছেলেকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে এলাকায় অবস্থানে থাকা আওয়ামী লীগের লোকজন বিনা কারণে ধরে নিয়ে মারধর করে ফেলে রেখেছিল।
রাউজান থানার এসআই আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, জেনেছি গণপিটুনির শিকার ব্যক্তি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে তাকে পিটুনি দিয়েছে। তাকে চিকিৎসা দিয়ে অভিযোগ দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।








