যেভাবেই হোক, দেশে একটি ভালো নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, নির্বাচনসংক্রান্ত যে–কোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত সরকারকে জানালে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হবে এবং প্রয়োজনে সরকার ব্যবস্থা নেবে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। পরে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের বিষয়ে জানানো হয়। খবর বিডিনিউজের।
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বলেন, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে তারা পুরোদমে নির্বাচনি প্রচার শুরু করবেন। একই সঙ্গে তারা জানান, জামায়াতে ইসলামী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এরই মধ্যে প্রচার শুরু করেছে। বৈঠকে জামায়াত নেতারা নির্বাচন সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। নির্বাচনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কেন্দ্রগুলোকে দ্রুত সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। তার ভাষায়, অধিকাংশ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে এবং এগুলো জানুয়ারির মধ্যেই ইনস্টল করা হবে। ঝুঁকির আশঙ্কা রয়েছে এমন কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটর করা হবে এবং ফুটেজ রেকর্ডেড থাকবে, যেন অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটামাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কেউ কেউ বলছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচার আইনসম্মত কিনা। কিন্তু আমরা সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি, এতে কোনো আইনি বাধা নেই। অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব সংস্কারের পক্ষে থাকা। নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবারের ভোট ও গণভোট সফলভাবে করতেই হবে। যে যাই বলুক, ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচন কোনো গোঁজামিলের নির্বাচন হবে না। এবারের নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয়, এই দায়িত্ব সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল আমাদের সবার। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করছি।












