নগরীর বাকলিয়ার আলোচিত চার বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করেছেন আদালত। এসময় তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। পাশাপাশি এ দাবির স্বপক্ষে তিনি কোন সাফাই সাক্ষ্য দেবেন না মর্মেও আদালতকে জানিয়ে দেন।
গতকাল চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা আসামি মনির হোসেনকে ৩৪২ ধারায় এ পরীক্ষা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ–উল আলম চৌধুরী (মারুফ) দৈনিক আজাদীকে বলেন, আসামিকে পরীক্ষা করার কাজ শেষ হয়েছে। পরীক্ষায় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। আদালতের পক্ষ থেকে তাকে সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাফাই সাক্ষ্য দেবেন না মর্মে জানান। একপর্যায়ে আদালত যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। সেই অনুযায়ী মঙ্গলবার (আজ) যুক্তিতর্ক শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
চার বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের এ মামলার মোট সাক্ষী ছিল ২২ জন। এরমধ্যে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। যারা সাক্ষ্য দিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন– বাদী, ভিকটিম, ভিকটিমের মা, নানা, নানী, খালা, তদন্ত কর্মকর্তা, মেডিকেল সার্টিফিকেট রিপোর্ট প্রদানকারী ডাক্তার ও সংশ্লিষ্ট একটি কলোনীর কেয়ারটেকার। এর আগে গত ৮ জুন একই আদালত চার বছরের উক্ত শিশু ধর্ষণের মামলায় পুলিশের দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণ করেছিলেন। পরদিন তথা গত ৯ জুন চার্জগঠনের মাধ্যমে আসামি মনির হোসেনের বিচার শুরুর আদেশ দেন এবং ১০ জুন থেকে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। তারও আগে গত ৪ জুন ঘটনার ১৩ দিন পর ৭ কার্যদিবসের দিন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেসিতে থাকা নগর পুলিশের প্রসিকিউশন শাখায় মনির হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাকলিয়া থানার উপ–পরিদর্শক (এসআই) তানভীর আহমেদ। গত ২১ মে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চার বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। সেদিন বিকালে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিম শিশুর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় একটি মামলা করেন।












