মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থীদের প্রচারণায় ‘হামলা ভাঙচুর বন্ধে’ অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

সংবাদ সম্মেলনে ৪ দফা দাবি পেশ

আজাদী প্রতিবেদন | শুক্রবার , ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর সুন্নী জোট ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় ‘ধারাবাহিক বাধা, হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের’ প্রতিবাদে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে গতকাল এক সাংবাদিক সম্মেলন থেকে ৪ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে।

গতকাল সকালে মোমিন রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি মাওলানা আবদুন নবী আলকাদেরী।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্নিপরীক্ষা। দীর্ঘদিন পর জনগণ একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা করলেও অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী প্রশাসনের নীরবতা ও প্রত্যক্ষপরোক্ষ মদদে নির্বাচনী পরিবেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করে তুলছে। শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে ব্যাপক গণসমর্থন দেখে আতঙ্কিত হয়ে বৃহত্তর সুন্নী জোট ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থীদের ওপর একের পর এক হামলা, ব্যানারফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা, প্রচার মাইক কেড়ে নেওয়া, হুমকি প্রদান ও ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে যা সরাসরি সংবিধান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি এবং প্রচলিত আইনকানুনের চরম লঙ্ঘন। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের পক্ষ থেকে ৪ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবি গুলো হলো মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও সন্ত্রাসে জড়িতদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সকল প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে পেশীশক্তি ব্যবহারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর করতে হবে। চট্টগ্রামের সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং আচরণবিধি লঙ্ঘন ও সহিংসতার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তে নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি বিশেষ তদন্ত সেল গঠন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলেন উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি অধ্যাপক আবদুর রহিম মুনিরী, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ সভাপতি অধ্যাপক ইউনুস যুক্তিবাদী, মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন মাহমুদ, দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী হোসাইন, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলমগীর বঈদী।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনির্বাচিত হলে রিকশাচালকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখব
পরবর্তী নিবন্ধআমাকে ফাঁসানোর জন্য টেলিস্কোপ দিয়ে দুর্নীতির খোঁজ করেছে, প্রমাণ পায়নি