দাম কমিয়ে আনতে দেশে উৎপাদিত ফোনের যন্ত্রাংশ ও আমদানি করা মোবাইল ফোনে শুল্ক ছাড় দিয়েছে সরকার। ব্যবসায়ীদের আন্দোলন ও দাবির মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় শুল্ক ছাড়ের এ সিদ্ধান্ত হয়। পরে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি কমানো হয়েছে। আগে ছিল ২৫ শতাংশ; এখন দিতে হবে ১০ শতাংশ। এর ফলে সরাসরি মোবাইল ফোন আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক, অগ্রিম কর ও ভ্যাটের পরিমাণ নামল ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশে, যা আগে ছিল ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। মোবাইল ফোন সংযোজনকারীদের সুবিধা দিয়ে যন্ত্রাংশ আমদানির শুল্কেও ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। খবর বিডিনিউজের।
‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার’ বা এনইআইআর পদ্ধতি চালুতে সরকারের উদ্যোগের মধ্যে মোবাইল ফোন আমদানিতে উচ্চ শুল্কের বিষয়টি আলোচনায় আসে। কর ফাঁকি বন্ধের পাশাপাশি নিম্নমানের ফোন দেশে ঢোকা বন্ধ করতে বৃহস্পতিবার থেকেই সরকার হ্যান্ডসেট নিবন্ধনে চালু করেছে এনইআইআর পদ্ধতি। প্রেস সচিব বলেন, মোবাইল ফোন যারা এখানে ম্যানুফ্যাকচার করেন, তাদের জন্য কাস্টমস ডিউটি যেটা আগে ১০ শতাংশ ছিল, সেটা ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে আশা করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে মোবাইল ফোন শিল্প আরও বেশি ব্যাপকতা পাবে। আরও অনেকেই আগ্রহী হবেন বাংলাদেশে মোবাইল ফোন উৎপাদন করতে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রচুর বিদেশ থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন আনা হয়। এনে কিছুটা রিফার্বিশড করে এটা বিক্রি করা হয়। এতে আমাদের ক্রেতা সাধারণ যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হন। সরকারও অনেক ট্যাঙ থেকে বঞ্চিত হয়। তো আশা করা হচ্ছে যে, এর ফলে দেশে আমদানি করা মোবাইল ফোনের যে ব্যবহার এবং যেসব মোবাইল বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়, তাদের চাহিদা বাড়বে এবং এগুলোর দামও কমে আসবে।












