মৃগী রোগে কবিরাজ নয় হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ

| মঙ্গলবার , ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ at ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ

পরিবারের কারো মৃগী রোগের উপসর্গ দেখা দিলে বৈদ্য কিংবা কবিরাজের অপচিকিৎসা না নিয়ে দ্রুত পার্শ্ববর্তী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। গত রোববার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) ডা. শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক মৃগীরোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে চিকিৎসকরা এ আহ্বান জানান। চমেক শিক্ষক সমিতি ও নিউরোলজি বিভাগ সেমিনারটি আয়োজন করে। দিবসটিকে কেন্দ্র করে গতকাল সীমিত পরিসরে শোভাযাত্রার আয়োজন করে নিউরোলজি বিভাগ। এরপর বৈজ্ঞানিক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিউরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. হাসানুজ্জামান ও নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. পঞ্চানন দাশ। অধ্যাপক মো. হাসানুজ্জামান বলেন, মৃগী রোগ নিয়ে সমাজে অনেক কুসংস্কার প্রচলিত আছে। শুধুমাত্র রোগের ইতিহাস এবং খিঁচুনির ভিডিও দেখে কোনো রকম দামী পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই এই রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। ৯০ শতাংশ রোগী ওষুধ খেয়ে ভালো থাকে। ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ২ থেকে ৫ বছর ওষুধ খেয়ে রোগমুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে।
তিনি বলেন, মৃগীরোগে আক্রান্ত নারীরা গর্ভধারণের আগে ও গর্ভকালীন নিউরোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শে নিয়মিত ওষুধ সেবন করে সুস্থ থাকতে পারবেন এবং সুস্থ বাচ্চা জন্ম দিতে পারবেন। নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এসএম নোমান খালেদ চৌধুরী বলেন, ব্রেন টিউমার, মস্তিস্কের আঘাতসহ বিভিন্ন নিউরোসার্জিকেল রোগের কারণে খিঁচুনি হতে পারে, যা সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব।
প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফাহমিদা রশিদের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন চমেকের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম, চমেক শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মনোয়ার উল হক শামীম, নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার কায়স্থগীর, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শিউলি মজুমদার, সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল আলম খন্দকার, ডা. মসিহুজ্জামান আলফা, ডা. তৌহিদুর রহমান, ডা. জামান আহম্মদ, ডা. একরামুল আজম, কনসালটেন্ট ডা. সীমান্ত ওয়াদ্দাদার, রেজিস্ট্রার ডা. পীযুষ মজুমদার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআসন ঘরে আগুনের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে
পরবর্তী নিবন্ধঅসহায় মানুষের পাশে আমাদের সকলের দাঁড়ানো উচিত