মীরসরাইয়ের ওচমানপুর ইউনিয়নে ফারজানা আক্তার (২৮) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গত শনিবার রাতে উপজেলার মুহুরী প্রজেক্ট এলাকার একটি বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনদের দাবি, ফারজানাকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নিহত ফারজানা আক্তার ওই এলাকার মেসবাহ উদ্দিনের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে। ফারজানার বাবা মোমিনুল ইসলামের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তার মেয়েকে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। তিনি বলেন, আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার আরও অভিযোগ, স্বামী মেসবাহ নেশাগ্রস্ত ছিলেন এবং পরিবারের সবাই মিলে ফারজানার বাবার বাড়ি থেকে টাকা আদায়ের জন্য চাপ দিতেন।
এদিকে এলাকাবাসীর মধ্যে ফারজানার মৃত্যু নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে আত্মহত্যা বললেও পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার জোরালো অভিযোগ তোলা হয়েছে। পরস্পরবিরোধী এই অবস্থানের কারণে মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক বলেন, খবর পেয়ে রাতেই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (গতকাল) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।










