যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কৌশলপত্রে চীন আর সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে না, এর পরিবর্তে অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও পশ্চিম গোলার্ধে বেশি মনোযোগ দেবে মার্কিন প্রশাসন। পেন্টাগনের নতুন কৌশলপত্রে এই পরিবর্তনের কথা রয়েছে বলে শনিবার স্কাই নিউজ ও বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
দেশটির ২০২৬ সালের জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলপত্র অনুযায়ী, চীনকে এখন ইন্দো–প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি স্থিতিশীল শক্তি হিসেবে দেখতে চাইছে পেন্টাগন। সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের ওপর আধিপত্য বিস্তার থেকে চীনকে বিরত রাখাই যথেষ্ট মনে করছে তারা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্বসূরি জো বাইডেনের সময় বেইজিংকেই শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হতো। নতুন কৌশলপত্রটি ট্রাম্পের গত বছরের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের ভিত্তিতে তৈরি করা।
ওই কৌশলে বলা ছিল, যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম গোলার্ধে নিজেদের আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে, ইন্দো–প্যাসিফিকে সামরিক শক্তি বাড়াবে এবং প্রয়োজনে ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করবে। নতুন নথিতে বলা হয়েছে, ইউরোপসহ অন্যান্য অঞ্চলের মিত্রদের গুরুত্বপূর্ণ, তবে সীমিত সামরিক সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এতে আরও বলা হয়, দৃষ্টিভঙ্গি, মনোযোগ ও ভাষায় তীক্ষ্ণ পরিবর্তন প্রয়োজন, যেন বিপর্যয়ের পথে থাকা পুরনো পথ ছেড়ে আমেরিকাকে আবার মহান করার দিকে নেওয়া যায়। এই কৌশল প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মিত্রের মধ্যে অস্বস্তি বাড়িয়ে তুলতে পারে। কারণ ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা নিয়ে এরই মধ্যে ইউরোপের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের টানাপড়েন তৈরি হয়েছে।












