মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়নে সরকারের ভূমিকা অনস্বীকার্য

গাউছিয়া তৈয়্যবিয়া হেফজখানার অনুষ্ঠানে পেয়ারুল

| বৃহস্পতিবার , ২১ মার্চ, ২০২৪ at ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ

নগরীর শাহ আমানত দরগাহ সংলগ্ন গাউছিয়া তৈয়্যবিয়া হেফজখানা ও শাহ আমানত এতিম খানার উদ্যোগে জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার বেলা ১১টায় জাতীয় শিশু ও কিশোর দিবস উদযাপিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে হেফজখানার হেফজ সমাপ্তকারী ছাত্রদের সনদ বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে সমাজ ও দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। কারণ আজকের শিক্ষার্থীরা আগামীতে দেশ পরিচালনা করবে। তাই তাদের উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি মাদরাসায় ইসলাম শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষাকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার মতো মাদরাসা শিক্ষায় বিজ্ঞান ও কম্পিউটার শাখা চালু করা হয়েছে। মাদরাসা শিক্ষায় বিদ্যমান সমস্যার সমাধান ও আধুনিকায়নে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশে ইসলামী ফাউন্ডেশন গঠনের মাধ্যমে ইসলামের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশে ইসলামের অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে মাদরাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে মাদরাসার শিক্ষকরা এর সুফল পেতে শুরু করেছেন। মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই আলেমদের দেশের চলমান উন্নয়নের জোয়ারে আরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার উপদেষ্টা মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন চৌধুরী রুমেল। সভাপতিত্ব করেন গাউছিয়া তৈয়্যবিয়া হেফজখানা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা মওলানা নুরুল আবছার আল কাদেরী। সঞ্চালনায় ছিলেন মওলানা শফিউল হক আশরাফি। উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন, রাইসুল ইসলাম চৌধুরী এমিল, রাশেদ রুসু, মো. আবছার, হাফেজ জামাল, হাফেজ ইস্রাফিল, হাফেজ আজিম প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধশাহ এমদাদীয়া চট্টগ্রাম মহানগরের মাসিক সভা
পরবর্তী নিবন্ধইবনে সিনা হাসপাতালে নারীর মৃত্যু, তদন্তে কমিটি