মহেশখালীর মাতারবাড়িতে ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি আরেকটি তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র করার যে আলোচনা রয়েছে, তাতে থাকবে না প্রথম প্রকল্পের অন্যতম ঠিকাদার সুমিতোমো করপোরেশন। জাপানের অন্যতম বৃহৎ এই কোম্পানি ২০৫০ সালের মধ্যে ‘কার্বন নিউট্রালিটি’ অর্জনে ধাপে ধাপে কয়লানির্ভর প্রকল্প থেকে সরে আসার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবেই মাতারবাড়ির সম্ভাব্য দ্বিতীয় প্রকল্পে তারা না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ইন্সটিটিউট অব এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস
(আইইইএফএ) জানিয়েছে। খবর বিডিনিউজের।
মাতারবাড়ি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, দ্বিতীয় প্রকল্পের কাজের কিছুই এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সে কারণে ঠিকাদার নিয়োগের বিষয়ও আসেনি। ফলে সুমিতোমোর বিষয়টি এখনও এখানে আসছে না। এ বিষয়ে সুমিতোমো করপোরেশনের বক্তব্য জানতে তাদের ইমেইল করা হলেও সাড়া মেলেনি।
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়নে ৫১ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট নিয়ে এক হাজার ২০০ মেগাওয়াটের একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। সঙ্গে কয়লা আমদানির জন্য একটি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কাজও চলছে সেখানে। এটিই হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর। পাশাপাশি মাতারবাড়িকে গড়ে তোলা হবে বিদ্যুৎ ও শিল্পোৎপাদন এবং জ্বালানি আমদানির একটি হাব হিসেবে। রকারের কয়েকটি মন্ত্রণালয় মিলে ধাপে ধাপে সেখানে বাস্তবায়ন করবে ৬৮টি প্রকল্প। প্রকল্প ব্যয়ের দিক দিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরই রয়েছে মাতারবাড়ির প্রকল্প। এই ব্যয়ের প্রায় ৮৩ শতাংশ বহন করছে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা- জাইকা। ১২০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে জাপানি কনসোর্টিয়াম সুমিতোমো করপোরেশন, তোশিবা করপোরেশন ও আইএইচআই করপোরেশন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট এবং জুলাই মাসে দ্বিতীয় ইউনিট চালুর লক্ষ্য রয়েছে প্রকল্প পরিকল্পনায়।











