গাউসুল আজম শাহসুফি সৈয়দ মুনিরুল হক মাইজভাণ্ডারির স্থলাভিষিক্ত জিম্মাদার মোন্তাজেম ও সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউসুল আজম শাহসুফি সৈয়দ আহমদ হোসাইন শাহরিয়ার মাইজভাণ্ডারি বলেছেন, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ শরিয়ত–তরিকত চর্চার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি ও মানবতার শিক্ষা দেয়। অন্ধকার থেকে আলো আলোর পথ দেখায়। গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারির উত্তরাধিকারী অছি এ গাউসুল আযম শাহসুফি সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারির দিকনির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের বিকল্প নেই।
তিনি গতকাল মহান ১০ মাঘ গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারি মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) এর ১১৭তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষ্যে মাজার শরীফে গোসল শরীফ ও গিলাফ ছড়ানোর প্রাক্কালে ভক্ত আশেকীনদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখছিলেন।
এ সময় দরবারে গাউসুল আজম শাহসুফি সৈয়দ মুনিরুল হক মাইজভাণ্ডারির স্থলাভিষিক্ত জিম্মাদার আওলাদ শাহসুফি সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন সোহেল মাইজভাণ্ডারি উপস্থিত ছিলেন। ছদারতে মিলাদে নববী, তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে ২ দিনব্যাপী ওরশ শরীফের মূল পর্বের কার্যক্রমের শুরু হয়। ১০ মাঘ ফজরের সালাত আদায়ের পর মিলাদে নববী সালামে গাউছিয়া, দিনব্যাপী খতমে কোরআন, খতমে গাউছিয়া আলীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ও জিকির আজকারের মাধ্যমে দিনশেষে রাত ১১টায় গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারির হুজরা শরীফ দোয়ার মেহরাব থেকে নেয়াজ ফাতেহা, মিলাদে নববী, তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া ও আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ সমৃদ্ধি ও বরকতের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।












