মহাসপ্তমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়, কাল মহাঅষ্টমী

শারদীয় দুর্গোৎসব

আজাদী প্রতিবেদন | রবিবার , ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ at ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ–উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গতকাল সম্পন্ন হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তিথি মহাসপ্তমী। তবে তিথির বিশেষ অবস্থানের কারণে এ বছর আজ রোববারও মহাসপ্তমী তিথি বিরাজ করবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মহাসপ্তমী দেবী দুর্গার শক্তি, মঙ্গল ও অশুভ শক্তির বিনাশের আরাধনার এক গুরুত্বপূর্ণ দিন।

এবছর ছয় দিনব্যাপী শারদীয় দুর্গাপূজার গতকাল ছিল দ্বিতীয় দিন। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী, গতকাল শনি ও আজ রোববার এই দুই দিন জুড়ে ‘মহাসপ্তমী’ তিথি থাকায় এ বছর দুইদিনব্যাপী মহাসপ্তমী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপন, ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ এবং মহাসপ্তমী বিহিত পূজার মাধ্যমে গতকাল দেবী দুর্গার চরণে অঞ্জলি দিয়েছেন ভক্তরা। গতকাল সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমান সব বয়সী ভক্তরা। অঞ্জলি, আরতি আর প্রার্থনায় প্রতিটি মণ্ডপ রূপ নেয় এক মিলনমেলায়।

মহাসপ্তমীর প্রথম প্রহরে শাস্ত্রীয় বিধি অনুসারে নবপত্রিকা স্নান এবং পূজামন্ডপে প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দিনের প্রধান আচার–অনুষ্ঠান শুরু হয়। নবপত্রিকাকে সাধারণত ‘কলাবউ’ নামে অভিহিত করা হয়। কলাগাছ, কচুগাছ, হলুদগাছ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক, মানকচু ও ধানগাছসহ নয়টি ভিন্ন উদ্ভিদ একত্র করে নবপত্রিকা প্রস্তুত করা হয়। শাস্ত্রমতে স্নান করিয়ে এটি পূজামণ্ডপে নির্ধারিত স্থানে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মাধ্যমে প্রকৃতি ও দেবী আরাধনার গভীর সম্পর্কের প্রতিফলন ঘটে।

শারদীয় দুর্গোৎসবের আগামীকাল মহাঅষ্টমী। এদিন কুমারী পূজা ও সন্ধিপূজাও অনুষ্ঠিত হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকম শুল্কের পণ্যের ঘোষণায় বেশি শুল্কের পণ্য আমদানি
পরবর্তী নিবন্ধআচমকা শিশু হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী, ধূমপান করতে দেখে চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ