বাকলিয়ার কল্পলোক আবাসিক এলাকায় কেন্দ্রীয় যুবদলের কর্মসূচির অংশ হিসাবে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম নগরী ও জেলা মিলে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে নগরীতে ১,৫০০ জন এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ২,০০০ জন আক্রান্ত হন। মোট প্রাণহানি ঘটেছে ১৪ জনে যার মধ্যে ৫ জন নগরীর এবং ৯ জন জেলার অধিবাসী। জেলা পর্যায়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেশি হওয়ায় উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বরতদের আরও গুরুত্বের সঙ্গে প্রতিরোধমূলক কাজ করার তাগিদ দেন তিনি। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় চট্টগ্রামে এবার সার্বিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার তুলনামূলক কম রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চসিক ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত অতি আধুনিক মশকনিধন ওষুধ স্প্রে করা শুরু করেছে। রেড জোন চিহ্নিত এলাকাগুলোতে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছিটানো হচ্ছে। পরে মেয়র কল্পোলোক আবাসিক এলাকার বিভিন্ন গলির নালা নর্দ্দমায় ডেঙ্গু মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য ব্লিচিং পাউডার ও বিভিন্ন ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করেন। পরবর্তীতে মেয়র অসহায় গরীব মানুষের মাঝে মশারি বিতরণ করেন এবং সচেতনের জন্য লিফলেট বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ–সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেনের একান্ত সচিব মারুফুল হক চৌধুরী, রাজনৈতিক সচিব জিয়াউর রহমান জিয়া, জিয়াউল হক মিন্টু, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোঃ জসিম উদ্দিন, আব্দুল্লা আল মামুন জিতু, শেখ কামাল আলম, মোঃ ইদ্রিস সবুজ, যুবদল নেতা মোহাম্মদ সেলিম, গোলজার হোসেন, ইসমাইল হোসেন লেদু, মোঃ হাসান, মোঃ মুসা, মোস্তাকিম মাহামুদ চৌধুরী, মোঃ সোহেল, জাবেদুল হক জাবেদ, সাদ্দামুল হক সাদ্দাম, মোহাম্মদ আলী, মোঃ মুরাদ, সিরাজ খান রাজু, মোহাম্মদ মিন্টু, রুহুল আমিন রাজু, মোহাম্মদ রায়হান, রাকিবুল হক রাকিব, ইয়াকুব খান, মোহাম্মদ নাসিম, ওমর ফারুক রানা, মোঃ ফোরকান মোঃ সোহেল, মোঃ মারুফ, মোঃ ফরিদ, ফয়সাল সাকিব মিম, সালাউদ্দিন বাপ্পি, মোঃ রাশেদ, মোঃ রশিদ, মোহাম্মদ মোরশেদ, মোহাম্মদ সায়েদ মোঃ বোরহান, মোঃ জাবেদ, মোঃ সোহেল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি













