বোয়ালখালীতে গোয়ালঘরে আগুন লেগে দুটি গরু মারা গেছে এবং আারও ১৯টি গরু দগ্ধ হয়েছে। এ সময় ৬টি গোয়ালঘর পুড়ে গেছে বলে জানা যায়। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর করলডেঙ্গা গ্রামের ছদর আলী চৌকিদারের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ সময় গোয়াল ঘরে থাকা আবদুর ছবুরের তিনটি, জাহেদুল হকের তিনটি, তাহেরা আক্তারের দুটি, মো. কামাল উদ্দীনের তিনটি, আবদুল মোনাফের তিনটি, ওবাইদুল হকের চারটি গরু ও মো. সাইফুদ্দীনের তিনটি গরু দগ্ধ হয়েছে। এর মধ্যে আবদুর ছবুরের ১টি গরু ও জায়েদুল হকের গর্ভবতী ১টি গাভী দগ্ধ হয়ে মারা যায়।
স্থানীয়রা বলেন, মো. কামাল উদ্দীনের গোয়াল ঘরে মশা তাড়ানোর জন্য খড় দিয়ে আগুনের ধোঁয়া দেয়। সেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে এলাকাবাসী বিভিন্ন পুকুর ও পার্শ্ববর্তী বিল্ডিংয়ের উপর থেকে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ক্ষতিগ্রস্ত মো. সাইফুদ্দীন বলেন, ৬টি গোয়ালঘরে মোট ২২টি গরু ছিল। এর মধ্যে ২১টি দগ্ধ ও দুটি মারা যায়। বাকি একটিকে আমি রশি খুলে ছেড়ে দেয়ায় গরুটি বেঁচে যায়। দগ্ধ হওয়া গরুর মধ্যে তিনটি গরুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সেতু ভূষণ দাশ বলেন, আমরা দগ্ধ গরুগুলোকে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। দগ্ধ একটি গর্ভবতী গাভীর বাচ্চা বেরিয়ে আসায় সেটিকে আমরা অপারেশনের মাধ্যমে পুনরায় রিসেট করেছি। আগুনে দগ্ধ হওয়ার কারণে আরো কয়েকটি গরুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। দগ্ধ গরুগুলোর চিকিৎসায় উপজেলা প্রাণি সম্পদ কার্যালয়ের মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জসিম উদ্দীন বলেন, অগ্নিকাণ্ডে দুইজনের দুটি গরু মারা গেছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসায় তারা আর ঘটনাস্থলে যায়নি।












