বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ এরই মধ্যে পেয়েছেন মোহামেদ ওয়াহ্বি। তবে, সেটা বয়সভিত্তিক পর্যায়ে। সিনিয়র পর্যায়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে এসেও অবশ্য দারুণ করছেন তিনি। ৪৯ বছর বয়সী এই কোচের হাত ধরে, মরক্কো এখন কোয়ার্টার–ফাইনালের মঞ্চে। বস্টনে সেমি–ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ফ্রান্সের মুখোমুখি হচ্ছে মরক্কো, তখন জাতীয় দলের কোচ হিসেবে একাদশ ম্যাচে ডাগআউট দাঁড়াবেন ওয়াহ্বি। ‘অনভিজ্ঞ’ এই কোচের হাত ধরে, মরক্কো অবশ্য ছুটছে দুর্বার গতিতে। গত মার্চে তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর, দলটি হারেনি একটি ম্যাচও। গত ১০ ম্যাচের ৬টিতে জিতেছেন হাকিমি–দিয়াসরা। ড্র হয়েছে বাকি ৪ ম্যাচ। অথচ, ওয়ালিদ রেগ্রাগুই মরক্কোর দায়িত্ব ছাড়ার পর, ফেডারেশনের বিবেচনায় থাকাদের তালিকায়, নিচের দিকে ছিলেন ওয়াহ্বি। যদিও, গত অক্টোবরে চিলিতে হওয়া অনূর্ধ্ব–২০ বিশ্বকাপ তার কোচিংয়েই শিরোপা জেতে মরক্কো। বয়সভিত্তিক ওই প্রতিযোগিতার ফাইনালে মরক্কো উঠেছিল সেমি–ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে। এবার সেই ফ্রান্সের সিনিয়র টিমের মুখোমুখি ওয়াহ্বি হতে যাচ্ছেন, বিশ্বকাপের কোয়ার্টার–ফাইনালের মঞ্চে। ওয়াহ্বির বাবা–মা দুজনে মরক্কান। তবে, তার জন্ম বেলজিয়ামে। দেশটির বিখ্যাত ক্লাব আন্ডারলেখটেও বয়সভিত্তিক দলে এবং সহকারী কোচ হিসেবে তিনি কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। ফলে, আধুনিক এবং ইউরোপিয় ফুটবলের কৌশল, ধরন সম্পর্কে ভালো জানাশোনা আছে ওয়াহবির। জাতীয় দল পরিচালনার অভিজ্ঞতার কমতি থাকলেও, ওয়াহ্বির শক্তির জায়গা তুলে ধরলেন তার সহকারী ইউসুফ হাজী। ‘তিনি সবসময় নিজের কৌশলে অবিচল থাকেন এবং তিনি প্রতিপক্ষ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হন না। এখন যখন মরক্কো খেলে, নিজেদের পরিচয় নিয়ে খেলে।’












