জোর করে ও মব করে বৈধ প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। গতকাল শনিবার সন্ধায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে বের হয়ে তিনি এই দাবি করেন। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ঢাকা–১৮ ও বগুড়া–২ (শিবগঞ্জ) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়ার আসনে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
মাহমুদুর রহমান মান্না সাংবাদিকদের বলেন, আমি এর আগেও আরও তিন/চারবার নির্বাচন করেছি। এইরকম কঠিন হতে দেখিনি কোন পথ। এবং এই কারণেই বিশেষ করে আজকের যে নির্বাচন কমিশন আমাকে বৈধ ঘোষণা করেছে তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ দিই। কারণ হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন যারা যেখানে যতটুকু দায়িত্ব পালন করেন, তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করবার ওপরেও একটা গুণমান সম্পন্ন সুষ্ঠু, সবার কাছে মোটামুটিভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। খবর বিডিনিউজের।
নির্বাচন কমিশনে চাপ প্রয়োগ করে মনোনয়ন বাতিল করা হচ্ছে দাবি করেন বিএনপি জোটের এই প্রার্থী বলেন, চাপ তৈরি করে, মব করে যদি নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করা যায়, তাহলে সেই নির্বাচন কোন গুণমান পেতে পারে না। যেজন্যই এতগুলো শহীদ জীবন দিলেন, এত বড় আন্দোলন হল, সেগুলোর কোনো মূল্য থাকে না।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মান্নাসহ ১৭ জন ঢাকা–১৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। ঢাকা উত্তর সিটির ১, ১৭, ৪৩ থেকে ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড ও বিমানবন্দর এলাকা নিয়ে এই আসন। বগুড়ায় মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়ার চিত্র তুলে ধরে মান্না বলেন, সেইখানকার এই প্রার্থী বাছাইয়ের প্রতিযোগিতা মানে, একটা মোবোক্রেসি হয়েছে। আমার যে প্রার্থিতা, যখন বাছাই করা হয় তখন আমার প্রতিপক্ষ বলব না কি বলব, আমি ঠিক জানি না। মানে একটা দলের প্রার্থীর পক্ষে বগুড়া জেলার ১২ জন আইনজীবী একসাথে আসছে। ঢাকার সুপ্রিম কোর্টসহ দুই তিনজন আইনজীবীকে নেওয়া হয়েছে। সহকারী অটর্নি জেনারেল গেছেন। আর নিজেদের দলের লোক যে কত গেছে, সেটা বলবার দরকার নেই। এবং তারা ইচ্ছামত কথা বলেছেন। যত জোরে জোরে কথা বলা যায়, বলেছেন। আমার পক্ষে যারা যুক্তি দিচ্ছিলেন, তাদেরকে ধমক দিয়েছেন। তারা ডিসির পাশে বসে, মনে হচ্ছে যে তারাই যেন একটা কর্তৃত্ব করছেন, নির্দেশ জারি করেছেন এরকম।












