ভোটকেন্দ্রের নাম-নম্বর জানা যাবে ৪ পদ্ধতিতে

| রবিবার , ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের নানা তথ্য জানাতে ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি’ অ্যাপসহ চারটি পদ্ধতির কথা বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে অ্যাপের সাহায্যে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর দিয়ে ঘরে বসেই নিজেদের ভোটকেন্দ্রের নাম, নম্বর ও অবস্থান জানতে পারবেন ভোটাররা।

গতকাল শনিবার ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ভোটাররা এর মাধ্যমে সহজেই ঘরে বসে ভোটকেন্দ্রের অবস্থান, ছবি, কেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্ব এবং ম্যাপসহ বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন। খবর বিডিনিউজের।

অ্যাপটির মাধ্যমে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের তথ্য, প্রার্থীদের হলফনামা, নির্বাচন সংক্রান্ত নানা তথ্য এবং নির্বাচনের ফল সম্পর্কেও জানা যাবে বলে জানান রুহুল আমিন মল্লিক। ইসি বলেছে, ভোটকেন্দ্র ও ভোটার নম্বর জানতে এবার চারটি পদ্ধতি চালু করেছে ইসি।

পদ্ধতি ১ (স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপ) : এই অ্যাপে গিয়ে ড্যাশবোর্ড থেকে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ বাছাই করতে হবে। এরপর ‘ভোট কেন্দ্র খুঁজুন’ অপশনে গিয়ে এনআইডি নম্বর এবং জন্ম তারিখ ইনপুট দিলে ভোটার নম্বর, ভোটার ক্রমিক নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা দেখা যাবে।

পদ্ধতি ২ (হটলাইন নম্বর ১০৫) : দেশের যেকোনো স্থানের ভোটার হটলাইন নম্বর ১০৫ এ ফোন করে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রসম্পর্কিত তথ্য জানতে পারেন। কল করার পর ৯ চাপলেই অপারেটরের সঙ্গে কথা বলে তথ্য পাওয়া যাবে। হটলাইনে ভোটারের এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ জানাতে হবে। এই পরিষেবা প্রতিদিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চালু থাকবে।

পদ্ধতি ৩ (১০৫ নম্বরে এসএমএস) : ভোটাররা তাদের মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে ‘চঈ ঘওউ’ লিখে ১০৫ নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফিরতি বার্তায় ভোটার নম্বর ও তাদের ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।

পদ্ধতি ৪ (ইসি ওয়েবসাইট) : নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ব্যবহার করেও ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। এ জন্য ল্যাপটপ, ডেঙটপ কম্পিউটার বা মোবাইলের যেকোনো ব্রাউজার থেকে (বপং.মড়া.নফ) ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর ওয়েবসাইটের ‘ভোটকেন্দ্র’ মেনুতে ক্লিক করলেই ভোটকেন্দ্র অনুসন্ধানের অপশন পাওয়া যাবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ১২ তারিখ পর্যন্ত চাঁদাবাজি করবেন না : সরওয়ার নিজাম
পরবর্তী নিবন্ধবিএনপিকে নিয়ে কেঁদে লাভ নেই, দাফন করার সময় হয়ে গেছে