‘একুশ মানে বাংলা ভাষার মান, একুশ মানে গোলামি রুখার গান’ এই প্রতিপাদ্যে চট্টল সুরাঙ্গন আয়োজন করেছিল ভাষার মাসে মহান একুশের অনুষ্ঠান। বিটা কার্যালয়ের মুক্তমঞ্চে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দিনব্যাপী চলে সাংস্কৃতিক আয়োজন। ভাষার সম্মানে ব্যানারে লেখা ছিল : ভাষার জন্য ২১, তাই ভাষার নামে দেশ।
আবৃত্তিশিল্পী ও উপস্থাপক দিলরুবা খানমের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি উত্তম কুমার আচার্য। চট্টল সুরাঙ্গনের সভাপতি সংগীতশিল্পী মুক্তা সরকারের সভাপতিত্বে বেতার টিভির তালিকাভুক্ত সংগীতশিল্পীরা সমবেতভাবে একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ পরিবেশন করেন।
সংগঠনের উপদেষ্টা ধীমান দে, সঞ্জয় ঘোষ, শিল্পী চম্পার সার্বিক তত্ত্বাবধানে একক সংগীত পরিবেশন করেন ইকবাল হায়দার, হাসান জাহাঙ্গীর, দিদারুল ইসলাম, ইকবাল পিন্টু, তাপস চৌধুরী, সত্যজিৎ দাস, শিলা চৌধুরী, মাসুম খান, সেলিম নূর, ববিতা ইসলাম, হাসনা জান্নাত মিকাত ও নাজনীন রুপা। শিশুশিল্পী দিয়ানের গান সকলের হৃদয় ছুঁয়েছে। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন শারদ মাজহার, মাহবুবা সুলতানা শিউলি, শহিদুল ইসলাম বিপ্লব ও পুলক চন্দ। যন্ত্রসঙ্গীতে সহযোগিতা করেন আফসার উদ্দিন হিরো ও কানু চক্রবর্তী। আয়োজনে আরো ছিল খেলাধুলা ও নৃত্যানুষ্ঠান। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












