ফান্ড আওয়ার ফিউচার তথা ‘আমাদের ভবিষ্যতের জন্য আর্থিক বিনিয়োগ কর’ এই দাবিতে ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরামের উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে গতকাল সকাল ১০টায় বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি পর্যায়ে বিনিয়োগকারী ব্যাংকগুলো এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে টেকসই প্রকল্প এবং নবায়নযোগ্য শক্তি বিনিয়োগ করার আহ্বান জানানো হয় ধর্মঘটে।
জলবায়ু সংকট নিরসন, ন্যায় বিচার দাবি ও জনগণকে সচেতন করতে একশনএইড বাংলাদেশের সহায়তায় ও এক্টিভিস্টা নেটওয়ার্কের ৩০টিরও বেশি যুব সংগঠনের সহস্রাধিক তরুণ দেশব্যাপী এই গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইকে অংশ নেয়। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ইয়ুথ ভয়েস ফর চেইঞ্জ, উষার আলো যুব সংঘ, একশন ফর ইয়ুথ ক্লাব, শতদল যুব সংঘ, প্রজাপতি যুব সংঘ, তরুণ এক্টিভিস্টা স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত হয়ে উক্ত দাবির সাথে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য প্রদান করেন। পাশাপাশি ২৬টি জেলায় এবং ৭টি লেকাল ইয়ুথ হাবের তরুণ এক্টিভিস্টা স্বেচ্ছাসেবকরাও এই গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইকে সংহতি প্রকাশ করেন।
এ সময় তরুণরা সমাজের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষদের সাথে নিয়ে জলবায়ু সংকট নিরসন, ন্যায় বিচার দাবিতে ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেয়। তাদের প্ল্যাকার্ডগুলোতে পৃথিবীকে জলবায়ু সংকট থেকে বাঁচিয়ে তোলার আকুতি প্রকাশ পায়।
বক্তারা বলেন, উন্নত দেশগুলো জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়নের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট সৃষ্টি করছে, তাদের নব্য ঔপনিবেশিক শোষণ, যুদ্ধ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মাধ্যমে আমাদের এই পৃথিবীকে ধ্বংস করছে। পুঁজিবাদী মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারীরা জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়নের মাধ্যমে পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যার প্রভাব পড়ছে মূলত দক্ষিণের জলবায়ু সংরক্ষিত দেশগুলিতে। এটি অনুন্নত দেশগুলোর সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সমপ্রদায়ের কাছে তাদের পরিবেশগত ঋণ বহুগুণ বাড়িয়ে তুলছে। আমরা বাংলাদেশের তরুণরা তাই সর্বোচ্চ কার্বন নির্গমনকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও দেশগুলির কাছে অবিলম্বে জীবাশ্ম–তহবিল বন্ধ করাসহ জলবায়ু সংকটের কারণে ঝুঁকিতে থাকা সমপ্রদায়গুলির জন্য লস এন্ড ডেমেজ এ অর্থায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে জীবাশ্ম জ্বালানির কোম্পানি ও বাণিজ্যিক কৃষির মত ক্ষতিকারক এরিয়াগুলোতে বিনিয়োগ বন্ধের দাবি জানাচ্ছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











