বড়উঠানের দেয়াঙ পাহাড় ও কর্ণফুলীর মরিয়ম আশ্রমের হাতছানি

মো. মহিউদ্দিন | বুধবার , ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ at ১:৪৮ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে দেখা মিলবে সবুজে মোড়ানো পাহাড়ঘেরা এক নির্জন প্রান্তর। নাম তার দেয়াং পাহাড়। এটি অবস্থিত কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান গ্রামে।

দৃশ্যত পাহাড় হলেও এটি শুধু পাহাড় নয়, এখানে দাঁড়িয়ে আছে পাঁচশ’ বছরের পুরনো ইতিহাস। তাই এ পাহাড়ে পা রাখলেই মনে হয়এই নীরবতা যেন কিছু বলছে, কিছু ইতিহাস আজও বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে। এখানেই অবস্থিত মরিয়ম আশ্রম ও পূর্ববঙ্গের খ্রিস্টান সমপ্রদায়ের প্রথম গির্জা। যা এ সমপ্রদায়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান।

পাহাড়ি পথ ধরে ওপরে উঠলে চোখে পড়ে যিশুমাতা মরিয়মের একটি কাঁচঘেরা প্রতিকৃতি। চারপাশে ছড়িয়ে আছে ছোট ছোট প্রার্থনাকক্ষ, ধ্যানঘর আর পাথরের পথ। পরিবেশ এতটাই শান্ত যে মনে হয় সময় এখানে থেমে আছে।

ইতিহাস বলছে, দেয়াঙ আশ্রমের ইতিহাস প্রায় পাঁচ শতাব্দী পেছনে গিয়ে দাঁড়ায়। ১৫১৮ সালে চট্টগ্রামে আসেন পর্তুগিজ বণিকেরা, আর ১৫৩৭ সালের দিকে তাঁরা দেয়াঙ এলাকায় গড়ে তোলেন একটি খ্রিস্টান পল্লি। তখন থেকেই শুরু হয় একটি দীর্ঘ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধ্যায়ের।

১৫৯৮ সালে দক্ষিণ ভারতের কচিন অঞ্চল থেকে মিশনারি ও যাজকেরা আগমন শুরু করেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জেসুইট ধর্মযাজক ফাদার ফ্রান্সেসকো ফার্নান্দেজ, যিনি ১৫৯৯ সালে এই পাহাড়েই নির্মাণ করেন চট্টগ্রামের প্রথম গির্জা। এরপর ১৬০০ সালে তিনি বান্ডেল রোড ও জামালখান এলাকায় গড়ে তোলেন আরও দুটি গির্জা।

আধুনিক মরিয়ম আশ্রমের ভিত্তি স্থাপন করেন ব্রাদার ফ্লেভিয়ান লাপ্লান্ত। ১৯৩২ সালের ১৭ অক্টোবর কানাডা থেকে চট্টগ্রামে এসে তিনি দেয়াঙে বসবাস শুরু করেন এবং স্থানীয় সমপ্রদায়ের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর হাত ধরেই গড়ে ওঠে এই আশ্রম, আশপাশে গড়ে ওঠে স্কুল, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র, ছাত্রাবাস এবং প্রার্থনার জায়গা।

সরেজমিন দেখা গেছে, এই পাহাড়েই রয়েছে ব্রাদার ফ্লেভিয়ান লাপ্লান্তর স্মৃতিস্তম্ভ, যা আজও দর্শনার্থীদের মনে জাগিয়ে তোলে কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা। আশ্রমের পাশে জোসেফ পাড়া ও মরিয়ম পাড়ায় এখনও বাস করছেন প্রায় ২৩টি পর্তুগিজ ও ডি রোজা বংশোদ্ভূত পরিবার, যাঁদের পূর্বপুরুষেরা এই অঞ্চলের খ্রিস্টান ঐতিহ্য বয়ে এনেছেন।

এখানে ১৯৪৬ সালে এখানে প্রতিষ্ঠিত হয় মরিয়ম আশ্রম উচ্চবিদ্যালয়, যেখানে রয়েছে প্রায় দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে আয়োজন করা হয় মা মরিয়মের তীর্থউৎসব, যেখানে সারা দেশের খ্রিস্টান সমপ্রদায়ের মানুষ অংশ নেন।

এ স্কুলের দেবাশীষ দত্ত নামে এক সহকারী বলেন, আশ্রমে প্রতিদিন শত শত লোক আসেন। তাঁরা শুধু বেড়াতেই আসেন না, পাঠ নেন ইতিহাসেরও। ১৯৮১ সালের ১৯ জুন আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ফ্লেভিয়ান লাপ্লান্তের মৃত্যুর পর ২০০০ সাল থেকে আশ্রমের দায়িত্ব পালন করে আসছেন ব্রাদার লরেন্স ডায়েস। ৯৫ বছর বয়সী ডায়েসকে আশ্রমের চতুর্থ আশ্রম গুরু হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

১৯৭৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর দেয়াঙ পাহাড়কে তীর্থস্থান হিসেবে ঘোষণা দেন তৎকালীন বিশপ জোয়াকিম রোজারিও। ওই বছরই আরাকান রাজার নির্দেশে দেয়াঙে অবস্থানরত ৬০০ পর্তুগিজ শিশু, নারী ও পুরুষকে হত্যা করা হয়। ফাদার ফার্নান্দেজের সমাধির ওপরই বর্তমানে চট্টগ্রামের ক্যাথিড্রাল গির্জা দাঁড়িয়ে আছে।

এই আশ্রম শুধু ধর্মীয় সাধনার কেন্দ্র নয়, এটি হয়ে উঠেছে ইতিহাস, স্মৃতি ও সহনশীলতার জীবন্ত প্রতীক। প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে আসেন; কেউ প্রকৃতির প্রশান্তি খুঁজতে, কেউ ইতিহাসের স্পর্শ পেতে। বলা যায়, দেয়াঙ যেন এক নীরব শিক্ষক, যে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়মাটি, মানুষ আর বিশ্বাস মিলেই গড়ে ওঠে সত্যিকারের তীর্থভূমি। বর্তমানে এই আশ্রমের পরিচালনায় রয়েছেন ৯৫ বছর বয়সী ব্রাদার লরেন্স ডায়েস। যিনি ২০০০ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

আশ্রমের দায়িত্বে থাকা ব্রাদার সিলভেস্টার মৃধার সাথে প্রতিবেদকের সমপ্রতি এক সাক্ষাৎকালে তিনি জানান, দেয়াঙের পাঁচ শ বছরের ইতিহাসকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হচ্ছে গোড়াপত্তনের, আরেকটি শেষের দিকের এক শ বছরের ইতিহাস। মরিয়ম আশ্রমের পাশে জোশেফ পাড়া ও মরিয়ম পাড়ায় প্রায় হাজারখানেক মানুষ বংশ পরম্পরায় বসবাস করে আসছেন। ১৬২৯ থেকে ১৬৩১ সাল পর্যন্ত পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত আগস্টিনিয়ান যাজকেরা দেয়াঙে ছিলেন। এখনো ওই পর্তুগিজ বংশের ১২টি পরিবার এবং ডি রোজা বংশের ১১টি পরিবার দেয়াঙ পাহাড়ে আছে।

১৯৩২ সালের ১৭ অক্টোবর কানাডা থেকে চট্টগ্রামে আসেন ব্রাদার ফ্লেভিয়ান লাপ্লান্ত। তিনি দেয়াঙে এসে এখানকার বিভিন্ন সমপ্রদায়ের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি নানান সেবামূলক কাজের উদ্যোগ নেন। তিনিই এই আশ্রম গড়ে তোলেন। আজকের মরিয়ম আশ্রম মা মারিয়ার পুণ্য তীর্থস্থান হিসেবে খ্রিষ্টান তীর্থযাত্রীদের কাছে সমাদৃত। আগের ইতিহাস ভালো না হলেও বর্তমানে দেয়াঙ এলাকা সামপ্রদায়িক সমপ্রীতি বিরাজ করছে।

আশ্রমে যেভাবে আসা যায় : চট্টগ্রাম শহরের দক্ষিণে শাহ আমানত সেতু পার হয়ে কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলের (কেইপিজেড) গেটে গিয়ে নামতে হবে। গেটে থেকে কেইপিজেড সড়ক ধরে এক কিলোমিটার গেলেই দেয়াঙ পাহাড়ের মরিয়ম আশ্রম।

কর্ণফুলীর বড়উঠানের জমিদারবাড়ি :

চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান। এই গ্রামে রয়েছে ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ি। যেটি অযত্ন অবহেলা আর সংস্কারের অভাবে দিন দিন বিলুপ্তির পথে।

জমিদারের নাম ছিল রাজা শ্যাম রায়। পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নাম হলো মনোহর আলী খান। এখন স্মৃতির আয়নায় তাঁর জমিদার বাড়িটি থাকলেও। নেই সেই জমিদার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিদার শায়েস্তা খান তার জমিদারির ২৫ শতাংশ দেওয়ান মনোহর আলী খানকে দান করেছিলেন। সেখান থেকেই তাঁদের জমিদারি শুরু। একসময় তাঁদের জমিদারি হাতিয়ানোয়াখালী পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। চট্টগ্রামের অধিকাংশ ছোট জমিদার ছিলেন এ পরিবারের তালুকি জমিদার।

তাঁরা বছরের বিশেষ দিনে মনোহর আলী খানের কাছে খাজনা নিয়ে আসতেন। খাজনা আদায়ের সময় (পুণ্যাহ) ভারতবর্ষের সেরা শিল্পী, বাদক দল এ বাড়িতে এসে মাতিয়ে রাখত। এর বাইরে সারা বছর নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হতো।

রাজা শ্যাম রায়ের পরগণার নাম ছিল দেয়াঙ পরগনা। বর্তমানে এটি কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নে। এক সময় এ পরগণার ছিল সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। দেয়াঙ পরগণার পাশেই ছিল প্রাচীন বন্দর। বাংলার নবাব শায়েস্তা খাঁ যখন চট্টগ্রাম বিজয় করেন, তখন তাঁর প্রধান সেনাপতি ছিলেন বড় ছেলে বুজুর্গ উমেদ খান। উমেদ খানের সহযোগী সেনাধ্যক্ষ ছিলেন রাজা শ্যাম রায়।

এক সময় মনোহর খানের বিয়ের জন্য পাত্রী দেখা শুরু হয়। তখন উপযুক্ত পাত্রী পাওয়া অনেক কঠিন ছিল। তাঁর বিয়ে ঘিরেও রয়েছে বীরত্বের গল্প। জনশ্রুতি আছে, রাজা শ্যাম রায় মূলত চট্টগ্রামের রাউজানের মানুষ। নবাব শায়েস্তা খাঁ একদিন রাজার ক্ষমতা পরীক্ষা করার বুদ্ধি আঁটেন।

শায়েস্তা খাঁ বলেন, এক রাতের মধ্যে শ্যাম রায় যদি নবাবের বাড়ির সামনে একটি দিঘী খনন করে তাতে প্রস্ফুটিত পদ্ম দেখাতে পারেন, তবে তিনি আনন্দিত হবেন। সকালে নবাব দেখেন সত্যি সত্যি তাঁর বাসস্থানের সামনে এক বিস্তীর্ণ দিঘিতে প্রস্ফুটিত পদ্মফুল। কমলদহ দিঘি নামে সেটি আজও আছে চট্টগ্রাম শহরের উত্তরে।

শ্যাম রায়ের এ কাজে মুগ্ধ হয়ে তিনি নিজের মেয়েকে বিয়ে দেন। শ্যাম রায় তখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এ বিয়ের মধ্য দিয়ে নবাব পরিবারভুক্ত চট্টগ্রামের জমিদারির একচতুর্থাংশ লাভ করেন মনোহর আলী খান ও তাঁর স্ত্রী। সেটা ১৬৬৬ সালের কথা। বর্তমানে জমিদার মনোহর আলী খানের ১৬তম বংশধর সাজ্জাদ আলী খান (মিঠু)। স্বপরিবারে থাকেন চট্টগ্রাম শহরে।

জানা যায়, ১৬৬৫ সাল থেকে এ পরিবারের জমিদারি শুরু হয়। দীর্ঘ কয়েক’শ বছর জমিদারি চলার পর ১৯৩০ সালে প্রজাতন্ত্র আইনের ভিত্তিতে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে কমতে থাকে জমিদার বংশীয়দের শৌর্যবীর্য। পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে পুরোনো জমিদার বাড়ি। এক সময় বাড়ির পেছনে আরেকটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। জমিদারের বংশধররা গ্রামের বাড়িতে গেলে সেখানে বসবাস করেন। সেটিও এখন বসবাসের অনুপযোগী। পুরাতন ভবনটির কোনো সংস্কার না হওয়ায় তা পুরোপুরি বিলুপ্তির পথে।

জানা যায়, জমিদার মনোহর আলী খানের অধস্তন সপ্তম পুরুষ ছিলেন ফাজিল খান। তিনি ফাজিল খাঁর হাটের প্রতিষ্ঠাতা। নবম পুরুষ ছিল ইলিয়াছ খান। মূল সড়কের পাশে ৩শ’ বছর পুরোনো যে মসজিদ রয়েছে সেটির প্রতিষ্ঠাতা এ ইলিয়াছ খান।

বড়উঠান মূল সড়ক থেকে সরু রাস্তা ধরে যেতে হয় জমিদার বাড়ি। বাড়ির সামনে বিরাট দিঘি। এক পাশে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ধবধবে সাদা ইলিয়াছ খান মসজিদ। মূল কাঠামো অবিকৃত রেখে মসজিদটির সামনের দিকে সংস্কার হয়েছে।

মিয়াবাড়ির প্রবেশমুখে বড় একটি পুকুর। পুকুরটিতে দুটি ঘাট রয়েছে। একটি ঘাট নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় সংস্কার করা হয়। পুকুরের দক্ষিণপশ্চিম পাশে রয়েছে মসজিদ। মসজিদের পাশের ঘাটটি এখনও অক্ষত। সেই আমলে নির্মিত মসজিদটির কারুকাজ চোখে পড়ার মত। বিশেষ করে বিশাল বিশাল দেয়ালের ওপর নির্মিত দৃষ্টিনন্দন কারুকাজ ও ঠান্ডা পরিবেশ মুসল্লিদের প্রশান্তি দেয়। মসজিদের পাশের কবরস্থানে যুগযুগ ধরে শুয়ে আছেন জমিদারের বংশধররা। মূল বাড়ির সামনে রয়েছে লম্বা মাটির কাছারি। সামনে বড় বারান্দা। বারান্দায় দেয়া হয়েছে মাটির পিলার। কাছারির মাঝে রয়েছে মূল বাড়িতে যাওয়ার পথ। মূল বাড়িটি ঝোপঝাড়ে প্রায় আড়াল হয়ে গেছে। বাড়িটির আশপাশে অনেক দিনের পুরোনো লিচুগাছ, বেলগাছসহ বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছ রয়েছে।জানা যায়, জমিদার বাড়ির সামনের কাছারিতে মেহমানরা এসে বসতেন। সেখানে খাজনাও আদায় করা হতো। বিচারআচারও হতো সেখানে। মাটির তৈরি কাছারিটির বিভিন্ন অংশ ক্ষয়ে গেছে। বাড়ির একপাশে ছিল ধানের বিশাল গোলা, অপর পাশে বিনোদন সান। প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া দ্বিতল ভবনটিতে ওপরে ও নিচে মোট ছয়টি কক্ষসহ দুই ফ্লোরে দুটি শৌচাগার ছিল।

এ বাড়ির ভবনে যে ইট ব্যবহার করা হয়েছে তা চারকোনা আকৃতির। দেয়াঙ পাহাড়ের মাটি দিয়ে বিশেষভাবে ইটগুলো তৈরি করা হয়েছিল। এর সাথে চুনসুরকির মিশেলে স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়। জমিদারের বংশধররা ষাটের দশক থেকে ভবনটিতে বসবাস করা বন্ধ করে দেন।

প্রতিদিন এই বাড়ি ঘুরে দেখতে অনেকেই আসেন। জমিদারবাড়ি দেখতে আসা কলেজশিক্ষার্থী জাহেদুল আলম বলেন, ‘জমিদারবাড়ি দেখতে এসেছি। বাড়িটির কারুকাজ অনেক সুন্দর। কর্তৃপক্ষ এটি সংস্কারের উদ্যোগ নিলে অনেক পর্যটক ও শিক্ষার্থী আসবেন। তাঁরা জমিদারবাড়ির ইতিহাস জানার সুযোগ পাবেন।’

জমিদার মনোহর আলী খানের ১৬তম বংশধর সাজ্জাদ আলী খান মিঠু বলেন, এটি সংরক্ষণ করা দরকার। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানাতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

লেখক : কর্ণফুলী প্রতিনিধি, দৈনিক আজাদী।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকল্পলোকের মেরিন ড্রাইভ : কর্ণফুলী নদীর তীরে গড়ে ওঠা নতুন পর্যটন কেন্দ্র
পরবর্তী নিবন্ধহালিশহরের শতবর্ষী ইতিহাস : আজগর আলী চৌধুরী মসজিদ ও জমিদার বাড়ি