চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে ১০২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে ৪১ জনের মনোনয়ন। গত ১ জানুয়ারি থেকে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনের তিন রিটার্নিং অফিসার ধারাবাহিকভাবে আসনভিত্তিক প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম শুরু করেন। যা গতকাল ৪ জানুয়ারি শেষ হয়। গতকাল রোববার মনোনয়পত্র বাছাইয়ের শেষ দিনে কোতোয়ালী আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি–সিপিবির প্রার্থীসহ ১৬ জনের মনোনয়পত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসাররা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, কোতোয়ালী আসনের জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হকের বাংলাদেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রেও তার নাগরিকত্ব আছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন গৃহীত হওয়ার কোনো কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এদিন গতকাল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী এবং চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসন ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী, চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ ও আংশিক সাতকানিয়া এবং চট্টগ্রাম–১৫ লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া আংশিক এবং চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। গতকাল এই ৭ সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে ৪৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসাররা।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে ১৬টি সংসদীয় আসনে জমা পড়া ১৪৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ৪১টি বাতিল হয়েছে এবং বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ১০২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। যাদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে তারা প্রত্যেকে আপিলের সুযোগ পাবেন। সোমবার থেকে আপিল করা যাবে, চলবে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫টা পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তির সময় নয় দিন, ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (সাধারণ শাখা) মোঃ হেদায়েত উল্যাহ্ আজাদীকে জানান, তাদের কার্যালয়ে রোববার চট্টগ্রাম নগরীর সংসদীয় আসন–৮, সংসদীয় আসন–৯ ও সংসদীয় আসন–১০ এর মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়েছে। এই তিন আসনে জমা দেওয়া মোট ৩২ জনের মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বৈধ হয়েছে ২১ জনের মনোনয়নপত্র।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, গতকাল রোববার চট্টগ্রাম–১৩, চট্টগ্রাম–১৪, চট্টগ্রাম–১৫ ও চট্টগ্রাম–১৬ সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়েছে। এই চার আসনে মোট ৩০ জনের মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বতিল করা হয়েছে। বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ২৫ জনের।
চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসন: চট্টগ্রাম–৮ বোয়ালখালী–চান্দগাঁও আসনে মোট ৯ প্রার্থীর মধ্যে গতকাল রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাইকালে বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু নাছের ও এনসিপি’র মো. জোবাইরুল হাসান আরিফসহ ৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
এই আসনে যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন–
বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু নাছের, জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপি’র প্রার্থী মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ এমদাদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নুরুল আলম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান।
এই আসনে দুই জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন–বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. সেহাব উদ্দীন ও স্বতন্ত্র মো. আজাদ চৌধুরী। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থীর মো. সেহাব উদ্দীনের দলীয় মনোনয়নে নমুনা স্বাক্ষর গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আজাদ চৌধুরী ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত যে তালিকা দাখিল করেছেন মাঠ পর্যায়ে যাচাইকালে সত্যতা না পাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার।
চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসন: চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে গতকাল তাদের মনোনয়নপত্র বাছাইকালে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানসহ মোট ৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর ডা. এ কে এম ফজলুল হকসহ মোট ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার।
চট্টগ্রাম–৯ কোতোয়ালী আসনে যাদের মনোনয়নপত্র বাছাইকালে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন–বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান,
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মো. শফি উদ্দিন কবির, গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মো. নেজাম উদ্দীন, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরীর মনোনয়নপত্র।
এই আসনে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন–বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডা. এ কে এম ফজলুল হক, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী, স্বতন্ত্র মিলন কান্তি শর্মা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, কোতোয়ালী আসনের জামায়াতের প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক তার দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন গৃহীত হওয়ার কোন প্রমাণপত্র মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিল করেননি; এই কারনে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মো. নুরুল আবছার মজুমদারের দাখিল করা হলফনামায় শিক্ষা সনদের সাথে মিল পাওয়া যায়নি, এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ঋণ খেলাপি এবং সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক বিল খেলাপি; এই কারনে কার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী তিনি হলফনামায় স্বাক্ষর করেননি, এছাড়াও আয়কর রিটার্ন দাখিল এবং ফরম–২১ সঠিক ভাবে পূরণ করেননি; এই কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনের স্বতন্ত্র মিলন কান্তি শর্মা তার ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত যে তালিকা দাখিল করেছেন দৈবচয়নের মাধ্যমে যাচাইকালে ১০ জন ভোটারের কারো তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়াও তিনি নতুন ব্যাংক একাউন্ট খোলার কোনো প্রমানপত্র দাখিল করেননি; এই কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসন: চট্টগ্রাম–১০ ডবলমুরিং–হালিশহর–পাহাড়তলী আসনে মোট ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে গতকাল মনোনয়নপত্র বাছাইকালে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
এরমধ্যে হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় খেলাফত মজলিসের মো. আলী ওসমান, ভুল কোডে জামানতের টাকা জমা দেওয়ায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির মো. ওসমান গণি এবং ফরম–২১ যথাযথ পূরণ না করায় জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এছাড়া ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী, মো. ওমর ইউসুফ খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এই আসনের বৈধ প্রার্থীরা হলেন–বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির সাঈদ আল নোমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) আসমা আকতার, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সাবিনা খাতুন।
চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসন: চট্টগ্রাম–১৩ আনোয়ারা–কর্ণফুলী আসনে মোট ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে গতকাল মনোনয়নপত্র বাছাইকালে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীসহ দুইজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত সরোয়ার জামাল নিজাম ও জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসানসহ ৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম–১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) আসনে দলীয় মনোনয়ন ছাড়া বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়পত্র জমা দেওয়া এবং নিজেই নিজের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক হিসেবে স্বাক্ষর করায় আলী আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই আসনে ঋণ খেলাপি হওয়ায় গণঅধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বৈধ প্রার্থীরা হলেন–বিএনপির সরোয়ার জামাল নিজাম, জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান, জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মু. রেজাউল মোস্তফা, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ ইমরান, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন–এনডিএমের মোহাম্মদ এমরান।
চট্টগ্রাম–১৪ চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক আসন: চট্টগ্রাম–১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে মোট ৯ প্রার্থীর মধ্যে গতকাল মনোনয়ন পত্র বাছাইকালে বিএনপির ও এলডিপির প্রার্থীসহ ৭ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিজানুল হক চৌধুরীর মনোনয়নপত্রের সাথে দেয়া এক শতাংশ ভোটারের সত্যতা না পাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। একই কারণে অপর স্ব্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল আনোয়ারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
অপর সাতজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন– বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ, এলডিপির ওমর ফারুক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মৌঃ মোঃ সোলাইমান, জাতীয় পার্টির বাদশা মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, স্বতন্ত্র শফিকুল ইসলাম রাহী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের এইচএম ইলিয়াছ।
চট্টগ্রাম–১৫ সাতকানিয়া–লোহাগাড়া আসন: চট্টগ্রাম–১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনে মোট ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজনেরই মনোনয়নপত্র বাছাইকালে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন–বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, বিএনপির প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমীন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী।
চট্টগ্রাম–১৬ বাঁশখালী আসন: চট্টগ্রাম–১৬ (বাঁশখালী) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে গতকাল মনোনয়নপত্র বাছাইকালে শুধুমাত্র গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আরিফুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অপর ৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মূল হলফনামায় এবং অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর না করায় গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এই আসনের বৈধ প্রার্থীরা হলেন–বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আব্দুল মালেক, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ লেয়াকত আলী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মুহাম্মদ মুসা, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এহছানুল হক, এলডিপির মো. কফিল উদ্দিন চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ রুহুল্লাহ।
আজ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করা যাবে: রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, যাদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল করা হয়েছে তারা প্রত্যেকে আপিলের সুযোগ পাবেন। আজ সোমবার থেকে আপিল করা যাবে, চলবে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫টা পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তির সময় নয় দিন, ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।












