পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের টেবিলে বাড়ে নানা ধরনের মুখরোচক খাবারের চাহিদা। সেই চাহিদা পূরণে চট্টগ্রামের সুপরিচিত মিষ্টান্ন ও বেকারিজাত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান সিজল এবারও নিয়ে এসেছে বৈচিত্র্যময় ইফতার সামগ্রী। দীর্ঘদিনের সুনাম ও গুণগত মানের কারণে নগরীর ক্রেতাদের কাছে রমজানে সিজলের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
১৯৯৭ সাল থেকে মিষ্টান্ন ও বেকারিজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে চট্টগ্রামে সুনাম অর্জন করে আসছে সিজল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি তাদের পণ্যের পরিধি বাড়িয়েছে এবং এখন ইফতার উপলক্ষে নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করছে।
রমজানকে ঘিরে সিজলের আউটলেটগুলোতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন অসংখ্য ক্রেতা। ইফতারের জন্য বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস, মিষ্টান্ন ও ঐতিহ্যবাহী খাবার কিনতে পরিবারসহ অনেকে এখানে আসছেন। তাদের আগ্রাবাদ আউটলেটে গেলে তার প্রমাণ মেলে।
ইফতারি আইটেমের তালিকায় রয়েছে চিকেন রোল স্টিক, চিকেন টোস্ট, চিকেন বল, চিকেন সমুচা, ছোট চিকেন কাবাব, বিফ টিক্কা কাবাব, চিকেন সাম্বু, ফিংগারস প্রন, চিকেন ফিংগার, চিকেন স্ট্রিট বার্গার, চিকেন সল্ট অ্যান্ড জুসি, চিকেন ক্রিসপি, এগ বল, চনা, পেঁয়াজু, বেগুনি, মরিচা, কলা ফ্রাই, পটেটো চপ, চিকেন উইংস ফ্রাই, এসপি চিকেন ফ্রাই, চিকেন চপ বার্গার, চিকেন হট, চিকেন মিনি হট, চিকেন মিনি টু স্টার, চিকেন গ্রিল বার্গার, চিকেন ডোনার কাবাব, চিকেন লং বার্গার, চিকেন ফিংগার রোল, চিকেন রেড বল, চিকেন স্পাইসি ফ্রাইড, প্রন ফিংগার সাসলিক ও চিকেন ললিপপসহ আরও নানা ধরনের আইটেম।
এছাড়া মিষ্টান্ন ও ডেজার্ট আইটেমের মধ্যেও রয়েছে দই, পুষ্টি কাপ দই, ফিরনি, মাওয়া ফিরনি, ক্ষীর মিক্স, ক্ষীর জর্দ্দা, ক্ষীর ফল, আমিত্তি, শাহী জিলাপি, হাজারি জিলাপি, রেশমি জিলাপি, কালোজিরা ছিলাশি, গাজরের হালুয়া, কাপ গাজরের হালুয়া, লুচি পিঠা, স্পেশাল ঘি সেমাই এবং মাহালাবিয়া। এসব পণ্যের স্বাদ ও মানের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া দেখা যাচ্ছে। ইফতার কিনতে আসা ক্রেতা মো. মশিউর রহমান বলেন, রমজান এলেই আমরা সিজল থেকে ইফতারি কিনে থাকি। এখানে খাবারের স্বাদ ভালো, তাছাড়া পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি হয় বলে পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করা যায়।
আরেক ক্রেতা নার্গিস আক্তার বলেন, বাড়িতে অতিথি এলে বা ইফতারে একটু ভিন্নতা আনতে সিজলের আইটেমগুলো খুবই ভালো লাগে। বিশেষ করে তাদের মিষ্টি ও বিভিন্ন ধরনের স্ন্যাকস সব সময়ই মানসম্মত মনে হয়েছে।
সিজলের চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, আমরা নিজেরা যে খাবার খাই, গ্রাহকদেরও সেই মানের খাবারই দিতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা প্রতিটি পণ্য তৈরি ও পরিবেশন করি। দীর্ঘদিন ধরে সিজল মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। আমাদের পণ্যের গুণগত মানের কারণেই ক্রেতারা বারবার আমাদের কাছে ফিরে আসেন। তাই গ্রাহকদের বলব্তআমাদের উপর আস্থা রাখুন, ভালো মানের খাবার নিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, রমজানজুড়ে সিজলের বিভিন্ন আউটলেটে প্রতিদিন তাজা ও মানসম্মত ইফতারি বিক্রি করা হচ্ছে, যাতে নগরীর মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিশ্চিন্তে পছন্দের খাবার সংগ্রহ করতে পারেন।












