তুমি যখন ব্যাপার শব্দটা ‘বেপার’ লেখ
ব্যাপার হলুদ হতে হতে একা হতে থাকে
নৈঃশব্দ্যের মধ্যে আমি –
হাতড়াতে থাকি তোমার লুব্ধক ব্যাকরণ
ভাব লাগে, তাপ লাগে, খুশি হই
মহাদেব গান ধরে
মহাভারতের কিছুই হবে না, ভাবে
অতঃপর –
আমাকে অনেক গালাগাল…
ভুল বানানে লিখলে ভেতরের পোড়া নিঃশ্বাসের
ছাই থেকে নিঃস্ব কবিতার জন্ম হয়, ঠিক
এসব ঝামেলা কখনো ভাবতে নেই
বরং ভালোবাসা বাড়ে
মুগ্ধতা মেঘের বাড়ি ঘুরে আসে
তৃণকান্তা জলের খেয়ালে স্নান সারে
আকাশে একটা তারা সন্ধ্যার বেহাগে
নৈঃশব্দ্যের উৎসবে মাতে – বেপার–বেপার
মাঝেসাঝেও আবার ব্যাপক– বেপক হয়ে ওঠে
তোমার অসচেতনতায় – এটি ভয়রোগ
মন্দ নয়, এক ধরনের লাগে
ব্যাপার, ব্যাপক ইচ্ছে হয় না লেখতে আর
ভুল বানানের স্পন্দন বুকের কোণে বাজে
সারাক্ষণ – আমি হই অস্থির পুকুর ঘাট।











