বিসিবি নির্বাচন নিয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে যেসব পর্যবেক্ষণের কথা তুলে ধরেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক–ক্রীড়া (উপসচিব) মোহাম্মদ আমিনুল এহসান, সেগুলো হলো: (সংক্ষেপে): ১. ক্যাটাগরি ১ থেকে অভিযোগ জেলা বা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে। অভিযোগের উৎস ছিলেন শরিফুল আলম এবং অন্যান্য সাবেক কাউন্সিলররা। অভিযোগের তারিখ ছিল ১০ মার্চ ২০২৬। কাউন্সিলর নাম জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি নিয়ে অভিযোগটি ছিল। ২. অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর নাম পুনঃপ্রেরণের নির্দেশ। ৩. নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে মনোনয়নের জন্য চাপ। ৪. অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন। ৫. চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ। ৬. ক্যাটাগরি ১ এ প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে অ্যাডহক কমিটিতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিসিবির অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ। ৭. সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা মিস্টার আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার হস্তক্ষেপ। ৮. ক্রীড়া উপদেষ্টার সহায়তায় ই–ভোটে নির্বাচন কারচুপি। ৯. নির্দিষ্ট স্থান থেকে গোপনীয়তা ব্যতীত ই–ভোট প্রদান। ১০. অ্যাডহক কমিটিতে আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং নাজমূল আবেদীন ফাহিমকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের কাউন্সিলরশিপ নিশ্চিত করতে অযৌক্তিক প্রভাব খাটানো। ১১. নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ। ১২. বিসিবি সংবিধানের (গঠনতন্ত্র) লঙ্ঘন। ১৩. ক্যাটেগরি ২, মেট্রোপলিটন ক্লাব থেকে অভিযোগ। অভিযোগের তারিখ ৯ মার্চ ২০২৬। নির্বাচনে কারচুপি। ১৪. ই–ভোটিং সিস্টেমের অপব্যবহার। ১৫. সময়সীমার পরে ফারুক আহমেদের মনোনয়ন গ্রহণ। ১৬. পছন্দের প্রার্থীদের অনৈতিক সুবিধা প্রদান। ১৭. নির্দিষ্ট স্থানে ই–ভোটারদের ভোট প্রদানে প্রভাবিত করা। ১৮. ভোটারদের সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ভোট দিতে বাধ্য করা। ১৯. সামগ্রিক ভোটদান পরিবেশ স্বাধীন ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত ছিল না। ২০. বিসিবি সংবিধানের (গঠনতন্ত্রের) লঙ্ঘন। ২১. ক্যাটেগরি ৩ থেকে অভিযোগ, প্রাক্তন ক্রিকেটার ও অন্যান্য। অভিযোগ সূত্র জনাব কাজী মোহাম্মদ ইউশা এবং অন্যান্য প্রাক্তন ক্রিকেটার বা কাউন্সিলরদের পক্ষে। ২২. বিসিবি সভাপতি হিসেবে আমিনুল ইসলাম বুলবুল তার ক্ষমতার বাইরে কাজ করেছিলেন। ২৩. প্রণালীগত অনুসন্ধান, সংবিধানগত অপ্রতুলতা। বিসিবি সংবিধানের অপ্রতুলতা প্রাপ্তি। ২৪. বিসিবি নির্বাচন নিয়মের অসম্পূর্ণতা প্রাপ্তি। এই ছিল কমিটির দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ।













