প্রতি বছর শিক্ষার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে নতুন শ্রেণিতে ভর্তি হয়। শ্রেণিভেদে ভর্তি ফি নেয় ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। খাত হিসেবে দেখানো হয় পুন:ভর্তি ফিস, পাঠাগার, উন্নয়ন, খেলাধুলা, মিলাদ, স্কাউট, দারিদ্র্য, ম্যাগাজিন, ডায়েরি এবং শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড। অথচ প্রায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরী বা পাঠাগারের রুমটি তালা ঝুলিয়ে রেখেছে বছরের পর বছর। পাঠাগার উন্নয়ন নামে প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেয়। দেওয়া হয় না শিক্ষার্থীদেরকে লাইব্রেরীর সুযোগ সুবিধা। খেলাধুলার জন্যেও টাকা নেয়। খেলাধুলা বলতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা দিয়ে শুধু খেলাধুলা চালিয়ে দেয়। খেলাধুলা নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে নার্সিং করা হয় না। অথচ খেলাধুলায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের নিয়ে টিম করে প্রশিক্ষণ দিলে অনেক ভালো মানের খেলোয়াড় উঠে আসতো। টাকা নেওয়া হয় ম্যাগাজিনের জন্যও! যে শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরী সুবিধা পায় না তারা কীভাবে সৃজনশীল চিন্তা ভাবনা করবে? বাংলাদেশের বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ম্যাগাজিন কি তাও চিনে না। অথচ ভর্তি ভাউচারে ম্যাগাজিনে টিক চিহ্ন দিয়ে দেওয়া হয়।
সকল সুযোগ–সুবিধা দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিলে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু, পুনঃভর্তির সময় এই খাত সেই খাতের অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া বন্ধ করুন।
মুজিবুল হাসান আরিফ
শিক্ষার্থী, আলিম ২য় বর্ষ
কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা।












