বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত ইয়ং টাইগার্স জাতীয় স্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতার চট্টগ্রাম বিভাগীয় ফাইনালে উন্নীত হয়েছে চট্টগ্রামের বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়। আগেরদিন চট্টগ্রাম পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নোয়াখালীতে গিয়েছিল বিভাগীয় পর্যায়ে খেলতে। সেখানে গিয়েও বাজিমাত করেছে চট্টগ্রামের স্কুলটি। গতকাল স্বাগতিক নোয়াখালী আল ফারুখ একাডেমিকে ২০৪ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে রান রেটের সেরা দল হিসেবে সবার আগে ফাইনালে পৌছে গেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিপক্ষকে মাত্র ২৬ রানে অল আউট করে দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়। নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমেছিল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়। শুরুটা ভাল করতে না পারলেও তালহা জোবায়ের এবং আফফান মাহবুবের দুটি হাফ সেঞ্চুরির উপর ভর করে ২৩০ রানের বিশাল স্কোর গড়ে বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়। জোবায়ের ৭০ বলে ৭টি চার এবং একটি ছক্কার সাহায্যে ৫৯ রান করে। অপরদিকে তালহা জোবায়েরও করে ৫৯ রান। তবে সে বল খেলেছে ১০৯ টি। মেরেছে চারটি চার। এছাড়া দলের ইনিংসে অবদান রেখেছে মেহরাব খান ৩৫, মেহেদী ১৫ এবং মেহরাব ১২রান করে। অতিরিক্ত থেকে আসে ৩১ রান। আল ফারুখ একাডেমির পক্ষে ৪৬ রানে ৫ উইকেট নিয়েছে আবদুল্লাহ আল মাহি। ২টি করে উইকেট নিয়েছে তামজিদুল এবং মাজেদ। একটি উইকেট নিয়েছে এমদাদুল। ২৩১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ইমতিয়াজ এবং ওয়াহিদুলের বোলিং তোপের মুখে পড়ে আল ফারুখ একাডেমির ব্যাটাররা। বলতে গেলে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের কোমর সোজা করে দাড়াতে দেয়নি বন্দর স্কুলের এই দুই বোলার। ফলে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে। যার পরিণতি মাত্র ২৬ রানে অল আউট হয় স্বাগতিক স্কুলটি। খেলেছে ২৩.২ ওভার। দলের কোন ব্যাটার দুই অংকের ঘরে যেতে পারেনি। শূণ্য রানে ফিরেছে ৮ জন ব্যাটার। বাকি তিনজন মিলে করেছে ১২ রান। অতিরিক্ত থেকে আসে ১৪ রান। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়ের ওয়াহিদুল করিম ৬.২ ওভার বল করে ৫টি মেডেন সহ মাত্র ৪ রান খরচায় নিয়েছে ৪ উইকেট। ইমতিয়াজ আলম ৭ ওভার বল করে একটি মেডেন সহ ৬ রান খরচায় নিয়েছে ৩ উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছে মেহরাব খান এবং মাহির শাহরিয়ার। এই ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার সুবাদে এখন জাতীয় পর্যায়ে খেলবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিটা বিভাগের ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া দুটি দল খেলবে জাতীয় পর্যায়ে।