বিপিএল মাঠে গড়ালে শুরু হবে প্লে–অফে ওঠার সমীকরণ। এখন পর্যন্ত চলমান দ্বাদশ আসরের প্লে–অফ নিশ্চিত করেছে তিন দল। বাকি তিন দল প্লে–অফের অবশিষ্ট একটি জায়গা পূরণে লড়বে। সেরা চারে খেলা নিশ্চিত হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটান্সের। এখন তাদের সামনে শীর্ষ দুইয়ে অবস্থানের সমীকরণ রয়েছে। এক ও দুই নম্বর দল খেলবে কোয়ালিফায়ার্স, সেখানে জিতলেই উঠে যাবে ফাইনালে। হারলে থাকছে দ্বিতীয় সুযোগ। ইতোমধ্যে বিপিএলের প্লে–অফ নিশ্চিত করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটান্স। অন্যদিকে, পয়েন্ট টেবিলের তিন ও চারে থাকা দল খেলবে এলিমিনেটর ম্যাচ। ওই লড়াইয়ে হারলে বিদায় এবং জিতলে ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে কোয়ালিফায়ার্সে বিজয়ী দলের মুখোমুখি হতে হবে। ফলে ইতোমধ্যে তিন দল প্লে–অফে জায়গা পেলেও শীর্ষ দুইয়ে থাকার সমীকরণ মেলাতে চাইবে। এ ছাড়া রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের লক্ষ্য অন্তত চতুর্থ দল হিসেবে হলেও প্লে–অফ নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে এগিয়ে আছে রংপুর। এখন পর্যন্ত ৮ ম্যাচে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে বিপিএলের টেবিলে চতুর্থ অবস্থান রংপুরের। বাকি দুই ম্যাচের মধ্যে একটি জিতলেই হবে। আবার, দুটিতেই হারলে অনেক যদি–কিন্তুর ওপর নির্ভর করতে হবে। সমান ম্যাচ খেলে সমান ৪টি করে পয়েন্ট ঢাকা ও নোয়াখালীর। তারা টুর্নামেন্টে টিকে আছে যদি–কিন্তুর হিসাবে। উভয় দলের জন্যই প্লে–অফে উঠতে একই সমীকরণ। শেষ দুই ম্যাচে শুধু জিতলেই চলবে না, রংপুর যেন আর ম্যাচ না জেতে, সেই কামনাও করতে হবে। এদিকে, সর্বোচ্চ ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে নাজমুল হোসেন শান্ত’র নেতৃত্বাধীন রাজশাহী। এক ম্যাচ কম খেলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে চট্টগ্রাম। তারা শীর্ষ দুইয়ে থাকতে হলে শেষ দুই ম্যাচের একটিতে জিতলেই চলবে। তাহলে সরাসরি খেলবে প্রথম কোয়ালিফায়ার। অথচ সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে থাকা সিলেটের জন্য প্রথম কোয়ালিফায়ারের সমীকরণ ভিন্ন। কারণ তাদের আর মাত্র এক ম্যাচ বাকি। শীর্ষ দুইয়ে থাকতে হলে ওই ম্যাচে জিততেই হবে। নয়তো এলিমিনেটরে খেলার সম্ভাবনাই বেশি।












