বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিএনপি ৩১ দফাতেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এদেশের গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। সেটা বিএনপির ইশতেহারেও বলা আছে। গণমাধ্যমের জন্য আলাদা সংস্কার কমিশন করে সেই সমস্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে বিএনপি। ইতিমধ্যেই একটা গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠিত হয়েছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সেই সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবগুলোও বিএনপি পর্যালোচনা করবে।
তিনি গতকাল বুধবার চকরিয়ার লক্ষ্যারচরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সালাহউদ্দিন আহমদ মিডিয়া সেল আয়োজিত চকরিয়া–পেকুয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে ‘মিট দ্য প্রেস উইথ সালাহউদ্দিন আহমদ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, যে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে সে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী হয়েছে। পৃথিবী এখন ডিজিটাইজ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, এই পৃথিবীতে এখন তথ্য আদান–প্রদান এতো সহজ হয়েছে মুহূর্তের মধ্যেই তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী। সুতরাং সবাইকে অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে করে দেশের সম্মান সারা বিশ্বে সমুন্নত রাখা যায়। তিনি আরো বলেন, আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছিল ১৯৯১ সাল থেকে বেগম জিয়ার হাত ধরে। তখন থেকে দেশে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ধারা অবারিত হয়েছে, গণমাধ্যমের জন্য অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছিল, গণমাধ্যম বিকশিত হয়েছিল। কিন্তু বিগত ১৬/১৭ বছরে এদেশের গণমাধ্যম দলীয়করণ হয়েছিল যার কারণে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হোঁচট খেয়েছিল। তিনি আরো বলেন, গণমাধ্যমের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ দেশের স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্বকে সুরক্ষা করা, দেশের গণতন্ত্রকে সুরক্ষা করা।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, আমি যেটা সাংবাদিক বন্ধুদের সমাবেশ কিংবা গণমাধ্যমের মালিকদের সমাবেশে বলে থাকি সেটা হল– সাংবাদিক বন্ধুগণ যেনো মালিকের চাকরি না করে বিবেকের চাকরি করেন।
এতে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, সাংবাদিক ইউনিয়ন কঙবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, কঙবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহাবুবুর রহমানসহ চকরিয়া ও পেকুয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।











