বিএনপির কর্মী-সমর্থকের বাড়িতে হামলার অভিযোগ, ইউএনও’র অপসারণ দাবি

লোহাগাড়া-সাতকানিয়া

লোহাগাড়া প্রতিনিধি | মঙ্গলবার , ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী, তাদের বসতঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার সন্ধ্যায় লোহাগাড়া উপজেলা সদরের এক হাইওয়ে রেস্টুরেন্টের হল রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম১৫ আসনে (লোহাগাড়াসাতকানিয়া আংশিক) বিএনপির পরাজিত প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন এই অভিযোগ করেন। এ সময় ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অপসারণের দাবিও করা হয়েছে। নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, নির্বাচনের পর লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে ২০টির বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তাদের বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। এসব হামলায় বিএনপির প্রায় ২৫ জন কর্মীসমর্থক আহত হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর লোকজন এই হামলার সঙ্গে জড়িত বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও দলীয় কর্মীর মতো কাজ করেছেন। ভোট গ্রহণে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তারা ছিলেন জামায়াতের কর্মী। তারা জামায়াত প্রার্থীর বিজয়ে সহযোগিতা করেছেন। আমরা এই ইউএনও’র অপসারণ চাই। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান, সদস্য এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, শেফায়ত উল্লাহ চক্ষু, ফৌজুল কবির ফজলু, নুরুল কবির, জসিম উদ্দিন আব্দুল্লাহ, আবু সেলিম চৌধুরী, এটিএম জাহেদ চৌধুরী, বিএনপি নেতা দিদারুল হক চৌধুরী ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাব্বির আহমদ প্রমুখ।

এ ব্যাপারে ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, পুরো চট্টগ্রামের মধ্যে লোহাগাড়ায় ভোট গ্রহণের হার তুলনামূলক বেশি। তারপরও এমন নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ করলে আমাদের বলার কিছুই নেই।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরেসিং মোটর সাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল শিশুর
পরবর্তী নিবন্ধনাচ, গান ও আবৃত্তিতে প্রত্যয়ের বসন্ত উৎসব