লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)র চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, দেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে মোদীর দালাল বিএনপি অন্যদিকে আমরা ১১ দলীয় জোট বাংলাদেশের। বিএনপি শেখ হাসিনার পতন চাইনি, জামায়াত এবং আমরা শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছি। তাই তারেক জিয়া ভারতের অনুমতি ছাড়া দেশে আসতে পারেনি। স্বাধীনতা যুদ্ধে আমি প্রথম বিদ্রোহ করেছি, এ দেশ স্বাধীন করেছি। বিএনপি আমাকে অস্বীকার করলে তাদের বাপকে অস্বীকার করবে, শুধু তাই নয় বিএনপি ক্ষমতায় এসে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ব্যাংক লুট করবে। তাই নির্বাচনে এদের প্রতিহত করে উচ্চ শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য প্রার্থী মাহমুদুল হাসানকে আনোয়ারায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়ী করে এলাকার উন্নয়নে সুযোগ দিন। আমি বিএনপিতে থাকাকালীন আনোয়ারাসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রতিটি উপজেলায় সরকারি কলেজ, হাসপাতাল ও যোগাযোগসহ এলাকার উন্নয়ন করেছি। বিএনপিকে নিয়ে কেঁদে আর লাভ নেই। তাদের জানাজা পড়ায়ে দাফন করার সময় হয়ে গেছে। বিএনপির কাছে দেশ আর নিরাপদ নয়। ১১ দলীয় ঐক্যজোটের কাছে দেশ নিরাপদ। আমরা সরকার গঠন করবো, চোরদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করবো।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় চাতরী চৌমুহনী বাজারের টানেল চত্বরে চট্টগ্রাম–১৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরীর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা ইসমাঈল হক্কানীর সভাপতিত্বে আনোয়ারা উপজেলা ও কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী আবুল হাসান খোকা ও নুরউদ্দীন জাহাঙ্গীরের যৌথ সঞ্চালনায় জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেন, নির্বাচিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবো, হাসপাতাল করবো, এলাকার উন্নয়নও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করবো।
অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরের জামায়াতে ইসলামীর আমীর নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জুবায়েরুল আলম মানিক, নেজামে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরের আমীর মাওলানা জিয়াউল হুসেইন জিয়া, দক্ষিণ জেলার খেলাফত মজলিসের আমীর হাফেজ মাহবুবুর রহমান হানিফ, লেবার পার্টির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি জুনু মিয়া, ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, আব্দুর রহিম, মাওলানা মুফতি ইমরান ইসলামাবাদী প্রমুখ।












