বান্দরবানের টংকাবতী-বারআউলিয়া মহাসড়কের নবনির্মিত জামছড়ি সেতু আগামীকাল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে সেতুটি।
জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের অর্থায়নে জামছড়ি সেতুটি ৫ কোটি ৯০ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নির্মাণ করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৩১.৮২৮ মিটার এবং প্রস্থ ১০২৫ মিটার। এর আগে সেতুর দুপাশে প্রায় ১৬ কিলোমিটার জেলা মহাসড়ক নির্মাণ করা হয়। সেতুটির মাধ্যমে বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নের সাথে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া-চরম্বা ইউনিয়নের অভ্যন্তরিন সংযোগ সড়ক স্থাপিত হয়েছে। শস্য ভান্ডার হিসাবে পরিচিত সদর উপজেলার টংকাবতী, সূয়ালক, লামা উপজেলার সরই এবং সমতল ভূমির লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা, পদুয়াসহ পাশ্ববর্তী ইউনিয়নগুলোর কৃষি-খামারীদের জন্য সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলবে।
টংকাবতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাংয়ং ম্রো বলেন, নির্মিত সেতুসহ সংযোগ সড়কটি এলাকাবাসীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। পিছিয়ে পড়া পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহজে বাজারজাতকরণের পথ তৈরি হবে। পার্বত্যবাসীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানাচ্ছি।
বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মোসলেহ্উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ইতোমধ্যে সেতুটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে উদ্বোধনের কথা রয়েছে।












