২৬ শে মার্চ বাঙালির আত্মপরিচয় খোঁজার দিন, পরাধীনতার গ্লানি মুছে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন। বিশ্ব মানচিত্রে নতুন এক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের বীজ বপন করেছিলো বাংলাদেশ এই দিনে।দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর অর্জিত এই স্বাধীনতা আমাদের অহংকার এবং প্রেরণার উৎস। ২৬ শে মার্চ কেবল একটি তারিখ নয়, এটি একটি জাতির আত্মত্যাগর প্রতীক। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, অন্যায় আর শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়লাভ করা সম্ভব। স্বাধীনতা দিবস বাংলাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে অগণিত মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। স্কুল –কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে, কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।লাল সবুজের পতাকায় ছেয়ে যায় পুরো দেশ। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে এসে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত একটি সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া।
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে আমাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব হলো স্বাধীনতার চেতনাকে বুকে ধারণ করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে সম্মানের আসনে বসানো।











