সিসিএস ট্যালেন্ট কাপ টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের গত ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ক্রিসেন্ট ক্লাব এবং বাকলিয়া একাদশের মধ্যকার খেলায় ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে সিজেকেএস ক্লাব সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি গত ৫ এপ্রিল রাতে এক জরুরি সভায় বসেন। এ্যাড. শাহীন আফতাবুর রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে খেলায় সৃষ্ট অনাকাঙ্খিত ঘটনার ব্যাপক আলোচনা হয় এরপর সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাঠে অনিবন্ধিত খেলোয়াড় খেলানো, খেলোয়াড়দেরকে ‘হিট আউট’ হয়ে প্রতিবাদ জানানোর নির্দেশ প্রদান এবং আম্পায়ারকে অকথ্য গালিগালাজ করার অভিযোগে বাকলিয়া একাদশের কোচ আমিনুল হককে ৫ বছরের জন্য সিজেকেএস ক্লাব সমিতির ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সকল ধরনের কার্যক্রম হতে বহিস্কার করা হয়েছে। অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আম্পায়ারের রিপোর্ট, খেলোয়াড় যাচাই–বাছাই ও রেজিষ্ট্রেশন কমিটির বক্তব্যের প্রেক্ষিতে দেখা যায় বাকলিয়া একাদশের খেলোয়াড় যথাক্রমে সাকিব হোসেন, ওবায়দুল আলম, তির ধর, ওমর ফারুক, নাজমুল ইসলাম, মাহির আনোয়ার ও মো. ইকবাল ইচ্ছাকৃতভাবে হিট আউট হয়েছে যা স্পিরিট অব ক্রিকেটের পরিপন্থি। তাই এই সাত খেলোয়াড়কে সিজেকেএস ক্লাব সমিতি কর্তৃক আয়োজিত সকল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হতে আগামী ১ বৎসর এর জন্য বহিস্কার করা হয়।
এ ছাড়া বাকলিয়া একাদশের মো. ইভান রায়হান নামের খেলোয়াড় বিনা রেজিস্ট্রেশনে সেদিনের খেলায় অংশগ্রহণ করায় সিজেকেএস ক্রিকেট বাইলজ ২০২৪–২৭ অনুযায়ী ১৩ এর ধারার (ট) উপধারা (যাহা সিজেকেএস ক্লাব সমিতির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য) অনুযায়ী আগামী ২ বছরের জন্য সিসিএস আয়োজিত যে কোন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হতে বহিস্কার করা হয়। বিসিবি ও সিজেকেএসকেও এ ব্যাপারে অবহিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যেন উক্ত কোচ এবং খেলোয়াড়দেরকে সিজেকেএস আয়োজিত কোন লিগ/টুর্নামেন্টের খেলায় অনুমতি না দেয়া হয় এবং বিসিবি কর্তৃক যেন উক্ত কোচ ও খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।













