কর্ণফুলীর চরে বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট না করে ইকোট্যুরিজম গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা। তাদের দাবি, নদীর মাঝখানে ভাসমান চরে এটা নদী হত্যার পরিকল্পনা। যেকোনো মূল্যে এই উদ্যোগ প্রতিহত করার আহ্বান জানান তারা। এ ছাড়া গত সোমবার চরে গিয়ে অবস্থান ধর্মঘট করেছে কর্ণফুলী রক্ষা প্রতিবাদ মঞ্চ। কর্ণফুলীর বাকলিয়ার চরে বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান্ট না করে ইকোট্যুরিজম গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা। তাদের দাবি, নদীর মাঝখানে ভাসমান চরে বর্জ্য শোধনাগার হলে ধ্বংস হয়ে যাবে কর্ণফুলী। এটা নদী হত্যার পরিকল্পনা। যেকোনো মূল্যে এই উদ্যোগ প্রতিহত করার আহ্বান জানান তারা। এ ছাড়া গত সোমবার চরে গিয়ে অবস্থান ধর্মঘট করেছে কর্ণফুলী রক্ষা প্রতিবাদ মঞ্চ।
জানা যায়, কর্ণফুলী নদীর মাঝখানে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে চসিক। নগরীর কল্পলোক আবাসিক এলাকার পূর্ব পাশে এবং বোয়ালখালী ও শিকলবাহার পশ্চিম পাশে নদীর মাঝখানে জেগে ওঠা ৩৫ একর ভাসমান চরে এই প্রকল্প স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে অনাপত্তিপত্র চেয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই সংবাদ জানার পর চরে গিয়ে অবস্থান ধর্মঘট করেছে কর্ণফুলী রক্ষায় জনগণের প্রতিবাদ মঞ্চ।
কর্ণফুলী গবেষক অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী বলেন, শিকলবাহা বাঁকে নদীর মাঝখানের চরে বর্জ্য নিয়ে গেলে তার সবটুকুই কর্ণফুলীতে যাবে। এটা হলে কর্ণফুলী নদী নয়, ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হবে।’
এতে বক্তব্য রাখেন ডা. কামাল, এস এম পিয়ার আলী, হাসিনা আক্তার টুনু, মিথুন দাশগুপ্ত, ইঞ্জিনিয়ার সিঞ্চন ভৌমিক, এম নুরুল হুদা চৌধুরী, শাহাদাৎ নবী খোকা, জাফর আল তানিয়ার, এম কাইছার উদ্দীন, আকাশ দাশ, মীর সাকিব প্রমুখ। বক্তারা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় বাকলিয়ার চরে বর্জ্য পরিশোধন প্ল্যান স্থাপন পরিকল্পনা বন্ধ করে পরিবেশ বান্ধন ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












