বাংলাদেশ যদি ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যায় বিসিসিআইয়ের আয় কত কমবে বা লোকসান হবে? হিন্দুস্থান টাইমসের প্রতিবেদনে বিসিসিআইয়ের লোকসানের সম্ভাব্য তিনটি উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। ধরা যাক, বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সেই জায়গায় অন্য কোনো ম্যাচ দেওয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের লোকসানের পরিমাণ হতে পারে ৭ থেকে ৩০ কোটি রুপি (৬০–৯০% দর্শক উপস্থিতি এবং টিকিটের গড় মূল্য ৫০০–১৫০০ রুপি ধরে)। আবার ধরা যাক, বাংলাদেশের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া হলো ঠিকই, কিন্তু সেই জায়গায় অন্য কোনো দলের ম্যাচ আয়োজন করা হলো। তখন লোকসান অনেক কমে আসবে। তবে বাংলাদেশের বদলে যদি ইতালি বনাম নামিবিয়ার মতো ম্যাচ হয়, তবে দর্শক চাহিদা তো আর এক থাকবে না! আবার ইংল্যান্ড বনাম অন্য কোনো দলের হাই ভোল্টেজ ম্যাচের টিকিটের চাহিদা তো সব সময়ই বেশি থাকে। সে ক্ষেত্রে লোকসানের বদলে লাভই হতে পারে। আবার বাংলাদেশের চারটা ম্যাচই শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিয়ে শ্রীলঙ্কায় হতে যাওয়া অন্য চারটি ম্যাচ ভারতে নিয়ে আসা হলে হয়তো তেমন কোনো আর্থিক ক্ষতিই হবে না। তখন কেবল লজিস্টিক বা নতুন করে পরিকল্পনা করার কিছুটা ধকল পোহাতে হবে। এ ক্ষেত্রে হয়তো পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার ম্যাচগুলো বাদ দিয়ে অন্য দলগুলোর ম্যাচ সরানোর কথাই ভাবতে হবে আইসিসিকে। কারণ, এই দুটি দেশ শ্রীলঙ্কার বাইরে খেলবে না।










