চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ–কাজী নজরুল ও সুকান্ত ছিলেন অবিভক্ত বাংলা তথা ভারতের কৃতী সন্তান। সাহিত্যে কবিতায়–সঙ্গীতে তাঁরা বাংলার জনগণকে উজ্জীবিত করেছিলেন। ভারত বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন দীর্ঘ দিনের। এই ধরনের অনুষ্ঠান এই ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বকে সুদৃঢ় করবে।
প্রবর্তক সংঘ (বাংলাদেশ) চট্টগ্রামের উদ্যোগে গত শুক্রবার বর্ণাঢ্য ব্যবস্থাপনায় রবীন্দ্র–নজরুল–সুকান্ত জয়ন্তী উদযাপিত হয়। প্রবর্তক সংঘের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্দু নন্দন দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন আহবায়ক ডা. বিদ্যুৎ কান্তি বিশ্বাস, স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রবর্তক সংঘের সম্পাদক ডা. শ্রীপ্রকাশ বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ– কাজী নজরুল অসংখ্যা সঙ্গীত রচনা করেছিলেন ও সুর দিয়েছিলেন। কবিদ্বয়ের সঙ্গীত বাংলা জাগরণে এক অনন্য ভূমিকা রেখেছিল। আর সঙ্গীতের মাধ্যম ছাড়া আর অন্য কোন কিছুর মাধ্যমে জনগণের প্রাণের ছোঁয়া পাওয়া যায়না। তাই সঙ্গীতের মাধ্যমে রবীন্দ্র–নজরুলকে বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্যে সবার প্রতি উদাত্ত আহবান জানান তিনি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অধ্যাপক বনগোপাল চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রবর্তক সংঘের আবাসিক ছাত্র–ছাত্রীরাই রবীন্দ্র–নজরুল রচিত দলীয় সঙ্গীত এবং দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন। প্রবর্তক সংঘের আজীবন সদস্য ডা. বাবুল সেন গুপ্তের গীটার বাজনা, সম্পাদক ডা. শ্রীপ্রকাশ বিশ্বাসের তবলা সঙ্গদ প্রদান এবং অধ্যাপক বনগোপাল চৌধুরীর মাউথ অরগেন পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে। দর্শক শ্রোতারা ঢাকার অতিথি শিল্পী প্রসেন সাহা ও প্রিয়াংকা চক্রবর্তীর সঙ্গীত পরিবেশনা উপভোগ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












