বাংলাদেশে কোনোভাবেই পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি আর ফিরে আসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, রাজার ছেলে রাজা হবে; বংশানুক্রমিক এই রাজনীতি এ দেশে আর আসতে দেওয়া হবে না। এ দেশে পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি আর চলবে না। এ দেশে আধিপত্যবাদী রাজনীতি আর হবে না। এ দেশের রাজনীতি হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে। জনগণের মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের জনসভায় এ সব কথা বলেন শফিকুর রহমান। প্রতিবেশীসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাই। কোনো অমর্যাদাকর সম্পর্ক চাই না। খবর বিডিনিউজের।
ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সব ধর্মের মানুষ, নারী–পুরুষ ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নাগরিকদের সমান মর্যাদায় দেখতে চান তারা। সমাজে বিভাজন, হিংসা ও বিদ্বেষের রাজনীতি পরিহার করে ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ১১ দলীয় জোটের স্লোগান হিসেবে তুলে ধরেন– ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’।
জনগণের ভোট ও সমর্থনে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন শফিকুর রহমান। সভায় তিনি রাজশাহীতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা, সুগার মিল চালু, ডেন্টাল কলেজ স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতিও দেন। পরে রাজশাহীর ছয়টি আসনের জামায়াতের ইসলামীর মনোনিত প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দিয়ে তাদের পরিচয় করে দেন। রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির কেরামত আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় রাজশাহীর ছয়টি আসনের জামায়াতের প্রার্থী বক্তব্য রাখেন।












