বাংলাদেশকে সমীহ করছেন উজবেকিস্তান কোচ-অধিনায়ক

স্পোর্টস ডেস্ক | সোমবার , ৯ মার্চ, ২০২৬ at ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ

নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটির প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই অনেকের আলোচনায় ছিল বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের এই লড়াই। শক্তিশালী চীন ও উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বড় প্রত্যাশা না থাকলেও উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন সমর্থকেরা। সেই স্বপ্নের বাস্তবতা যাচাইয়ের সময় এখন। ম্যাচের আগের দিন অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দুই দলের কোচ ও অধিনায়ক। সেখানে উজবেকিস্তান নারী দলের কোচ কোটরিনা কুলবিতে বাংলাদেশের শক্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার কথা বলেছেন। তবে তার দল যে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে, সেটিও পরিষ্কার করে দিয়েছেন তিনি। কুলবিতের ভাষায়, দল শতভাগ প্রস্তুতি নিয়েই ম্যাচে নামবে এবং লক্ষ্য থাকবে জয় তুলে নেওয়া। গ্রুপ পর্বে দুই দলই এখন পর্যন্ত জয়ের দেখা পায়নি। বাংলাদেশ দুই ম্যাচে সাত গোল হজম করেছে, আর উজবেকিস্তান হজম করেছে ছয় গোল। ফলে শেষ ম্যাচে জয় পাওয়া দলের জন্যই তৈরি হবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা। উজবেকিস্তানের খেলোয়াড় মিডোরি হোন্ডা জানিয়েছেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য ম্যাচ জেতা। বড় ব্যবধানে জয়ের পরিকল্পনা আছে কি না; এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, টুর্নামেন্টের গাণিতিক সমীকরণ এখনই বলা কঠিন, কারণ অন্য গ্রুপের খেলাগুলোর ফলও এতে প্রভাব ফেলতে পারে।

বাংলাদেশ দল সম্পর্কে ইতিবাচক মন্তব্যও করেন হোন্ডা। তার মতে, বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা বেশ গতিশীল এবং আক্রমণভাগে কয়েকজন দ্রুতগতির ফুটবলার রয়েছে। তাই ম্যাচটি সহজ হবে বলে মনে করছেন না তিনি। এশিয়ান কাপে প্রতিটি ম্যাচই কঠিনএ কথাও মনে করিয়ে দেন এই উজবেক ফুটবলার। বাংলাদেশের তরুণ গোলরক্ষক মিলি আক্তারের পারফরম্যান্সও নজর কেড়েছে তার। হোন্ডা বলেন, মাত্র ১৯ বছর বয়সে গোলপোস্টের নিচে মিলির আত্মবিশ্বাস ও সাহস প্রশংসার যোগ্য। তরুণ এই দলটির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাও দেখছেন তিনি। সব মিলিয়ে পার্থের ম্যাচটি দুই দলের জন্যই হয়ে উঠছে ভাগ্য নির্ধারণের লড়াই। জয় পেলে কোয়ার্টার ফাইনালের সম্ভাবনা বেঁচে থাকবে, আর পরাজয় মানে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাওয়া। তাই মাঠের লড়াইয়ে উত্তেজনা থাকাটা স্বাভাবিক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধওয়ানডে সিরিজ খেলতে ঢাকায় এসেছে পাকিস্তান
পরবর্তী নিবন্ধইরানের হারে কঠিন সমীকরণের সামনে আফঈদা-ঋতুপর্ণারা