শিক্ষকরা আমাদের সমাজের দর্পণ। তাদের দেখানো পথেই শিক্ষার্থীদের পথ চলতে হয়। জেএসইউএস আজকে চমৎকার একটা প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাঁশখালীতে শিক্ষক দিবসের ৬০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান করছে। এটি একটি ভালো উদ্যোগ। শিক্ষক সমাজের প্রতিনিধিরা এখানে আছেন। চমৎকার এ আয়োজনে শিক্ষকদের মর্যাদার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে ওঠে এসেছে।
গণসাক্ষরতা অভিযানের সহায়তায় যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালনোপলক্ষে গত ১৩ অক্টোবর বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রুহুল আমিন এসব কথা বলেন। জেএসইউএস নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেএসইউএস সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলাম (এসডিপি)। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র সমাজসেবক কামরুল ইসলাম হোসাইনী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাঁশখালী পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা সমজাসেবা অফিসার মো. আমজাদ হোসাইন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কুহেলিকা সরকার, জলদী হোসাইনীয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু রাশেদ মোহাম্মদ মোজাম্মেল, উত্তর জলদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম, কাথরিয়া বাগমরা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওবাইদুল্লাহ, জেএসইউএস প্রতিবন্ধী ইয়ুথ গ্রুপ প্রতিনিধি মো. ইখতিয়ার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে “শিক্ষকের পাশে, ভবিষ্যতের সাথে : ৬০ বছরের নিরবচ্ছিন্ন পথচলা”– এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেএসইউএস ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা কবি ও প্রাবন্ধিক সাঈদুল আরেফীন ও সিবিআর অফিসার মোছাম্মৎ কামরুন নাহারের সঞ্চালনায় ধারণাপত্র পাঠ করেন জেএসইউএস প্রোগ্রাম ম্যানেজার (এডুকেশন) মুনজিলুর রহমান। মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন মো. ইয়াসিন আলী, মো. ফোরকান, শিক্ষিকা বাপ্পী দাস, শিক্ষার্থী আবদুল হালিম। সবশেষে সভাপতির বক্তব্যে জেএসইউএস নির্বাহী পরিচালক বলেন, শিক্ষকদের মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে হলে পরিবার, বিদ্যালয়, সমাজ ও সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষকে একযোগে কাজ করতে হবে। আমরা চাই এমন একটা বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে উঠুক শিক্ষকদের আর্থ সামাজিক মান মর্যাদা যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনি প্রতিবন্ধী ও অপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










