বর্ষার পূর্বে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প শেষ করে নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করুন

মহানগরী জামায়াতের বৈঠকে নজরুল ইসলাম

| বৃহস্পতিবার , ৯ এপ্রিল, ২০২৬ at ৮:০১ পূর্বাহ্ণ

জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, বছরের পর বছর চলছে চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প। এ যেন ‘কখনো শেষ না হওয়া এক প্রকল্পে’ পরিণত হয়েছে। এখনো নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব হয়নি। বর্ষার পূর্বে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প শেষ করে নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করুন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও নগরীর বিভিন্ন এলাকা বারবার জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। গতকাল বুধবার মহানগরী জামায়াতের কার্যালয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর ওয়ার্ড দায়িত্বশীলদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকের পঞ্চম দিনে হালিশহর, পাহাড়তলী ও আকবরশাহ্‌ থানাধীন ৬টি ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন করে নির্বাচিত মেয়র, কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলরের মাধ্যমে জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে। নগরীতে পঁচাত্তরটি খালের মধ্যে সাতান্নটি খালের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ছত্রিশ খালের চলমান মেগা প্রকল্প আগামী বর্ষার পূর্বেই শেষ করে একুশ খালের সমন্বিত প্রকল্প হাতে নেয়া জরুরি। পুরো মহানগরীকে সংরক্ষণ পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও ময়লা ব্যবস্থাপনাকে আরো উন্নত করা, পাহাড় দখল ও কাটা রোধ করে মাটির ক্ষয়রোধ, নালানর্দমা তথা ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই আদর্শ মহানগরী গড়ে তোলা সম্ভব।

বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমান, হামেদ হাসান ইলাহী, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুর, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, ফখরে জাহান সিরাজী, আকবর শাহ থানা আমির অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান চৌধুরী, পাহাড়তলী থানা আমির মুহাম্মদ নুরুল আলম প্রমুখ। এতে হালিশহর, পাহাড়তলী ও আকবর শাহ থানা জামায়াত ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকর্ণফুলীতে এলজি ও কার্তুজসহ যুবক গ্রেপ্তার
পরবর্তী নিবন্ধচবির শহীদ ফরহাদ হোসেন হলের বর্ধিত ভবন উদ্বোধন