বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নগরীর ১২ স্থানে এসটিএস নির্মাণ করা হবে : মেয়র

সদরঘাটে সেকেন্ডারি ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করছে চসিক

আজাদী প্রতিবেদন | সোমবার , ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে নগরের সদরঘাটে একটি সেকেন্ডারি ডাম্পিং স্টেশন বা এসটিএস নির্মাণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। গতকাল দুপুরে এটির উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে সদরঘাটের পাশাপাশি কাজীর দেউড়ি বিএনপি কার্যালয় এলাকা, কাতালগঞ্জ, নাসিরাবাদ, মোহরার খেজুরতলা, দামপাড়া শিল্পকলা একাডেমি ও দক্ষিণ বাকলিয়াসহ বারটি স্থানে ১২টি এসটিএস নির্মাণ করা হবে।

এসটিএস নির্মাণের কারণ জানিয়ে মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করতে পরিকল্পিতভাবে এসটিএস নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ওয়ার্ডভিত্তিক প্রাথমিক সংগ্রহ পয়েন্ট থেকে সংগৃহীত বর্জ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ, বাছাই ও সংহত করে বৃহৎ পরিবহনযানে তুলে চূড়ান্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপনায় পাঠানো হবে। এতে পরিবহন ব্যয় কমার পাশাপাশি নগরীর সড়ক ও জনবসতিতে ময়লার চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

ডা. শাহাদাত বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছেবর্জ্যগুলো এমনভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা, যাতে তা সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে থাকে। মানুষের চোখ ও নাক একসঙ্গে কোনো কিছুর সংস্পর্শে এলে দুর্গন্ধের অনুভূতি বেড়ে যায়। এটি একটি শারীরবৃত্তীয় বিষয়। আমরা এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করেছি, যাতে শহরও পরিষ্কার থাকে, মানুষও দুর্গন্ধজনিত ভোগান্তি থেকে মুক্ত থাকে। তিনি বলেন, এই শহরকে পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব শুধু সিটি কর্পোরেশনের নয়। সবাইকে এই শহরকে নিজের শহর মনে করে এগিয়ে আসতে হবে। মিলেমিশে কাজ করলেইইনশাল্লাহ, আমরা একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে পারব। দীর্ঘ প্রায় দুই থেকে আড়াই দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৭টি ব্যাকহোল লোডারসহ বড় আকারের যানযন্ত্রপাতি সংগ্রহ করেছে। পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম বেগবান করতে ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। যদি তা বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে নগরীকে আরও পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, এসটিএস নির্মাণের সার্বিক সহযোগিতাকারী আর কে লিটন, কেওয়াই স্টিলের ডেপুটি ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার অভিষেক সেনগুপ্ত।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাজনৈতিক চক্রান্তে শফিকুরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়
পরবর্তী নিবন্ধজামায়াত আমীর আসছেন আজ