চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম বলেছেন, বন্যায় সাতকানিয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। এজন্য সাতকানিয়ায় বরাদ্দও বেশি দেয়া হয়েছে। বন্যার্তদের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ যাতে সঠিকভাবে বন্টন হয়। ত্রাণ নিয়ে নয় ছয় করা যাবে না। যারা পাওয়ার যোগ্য তাদের হাতে পৌঁছাতে হবে। সঠিকভাবে বন্টন হলে আমরা আরো বরাদ্দ দিতে পারবো। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বরাদ্দ চাইতে পারবো। কিন্তু বন্টন নিয়ে কোনো ধরনের অভিযোগ আসলে আমরা বাধাগ্রস্ত হবো। তখন আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চাইতে পারবো না। তখন কথা আসবে ত্রাণ আমরা সঠিক জায়গায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছি। তিনি গতকাল সাতকানিয়ায় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার দুর্যোগ মোকাবেলায় বিত্তশালীদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বন্যার্ত মানুষের সহায়তায় ইতোমধ্যে অনেকে এগিয়ে এসেছেন। আরো যারা আছেন তাদেরকে অনুরোধ করবো তারাও যেন বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান। সমন্বিতভাবে কাজ করলে দুযোর্গ কাটিয়ে উঠা সহজ হবে। ব্যবসায়ীদেরও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনাদের পাশে আছেন। তিনি বন্যার পানি নেমে গেছে কিনা খোঁজ খবর নিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করে গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল ক্ষেত্রে পুনর্বাসন কাজে হাত দেয়া হবে। সাতকানিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরাফাত সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মোতালেব, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিবলী নোমান, উপজেলা আ. লীগের সহসভাপতি ফরিদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য এরফানুল করিম প্রমুখ।












