সিজেকেএস ক্লাব সমিতি আয়োজিত সিসিএস ট্যালেন্ট কাপ টি–টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সাদা দল শুভসূচনা করেছে। অন্য খেলায় বাকলিয়া একাদশ টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে। গতকাল রোববার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম খেলায় বন্দর সাদা দল ৪ উইকেটে ক্রিসেন্ট ক্লাবকে পরাজিত করে। টসে হেরে ক্রিসেন্ট ক্লাব প্রথমে ব্যাট করে। ২০ ওভার খেলে ৯ উইকেটে তারা ৯৬ রান করে। দলের পক্ষে জুনাইদ তাহমিদ ১৫,ওয়াহিদ মুরাদ ১৪,নীলাচল ১২ এবং শাহরিয়া ১২ রান করেন। অতিরিক্ত থেকে আসে ১২ রান। বন্দর সাদা দলের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন ফাহিম পারভেজ এবং মাহির আসহাব। জবাবে বন্দর সাদা দল ১৮ ওভার খেলে ৬ উইকেটে ৯৮ রান তুলে নেয়। ওপেনার ইয়াহিয়া মাহির ৩১ বলে ৩১ রান করেন। ৫টি চার এবং ১টি ছক্কা মারেন তিনি। এছাড়া আদিল আবদুল্লাহ অপ. ১৮ এবং মাহির আসহাব অপ. ১৪ রান করেন। অতিরিক্ত থেকে আসে ১৬ রান। ক্রিসেন্ট ক্লাবের পক্ষে শাহাদাত হোসেন ২টি উইকেট লাভ করেন। প্লেয়ার অব দি ম্যাচ বিজয়ী দলের ইয়াহিয়া মাহিরের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বন্দর দলের কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদ খান শাহীন এবং সাবেক ক্রিকেটার শাহ মাফুজুর রহমান পল্লব। দিনের অপর ম্যাচে বাকলিয়া একাদশ ৪৩ রানে এলিট পেইন্ট আর সি কে পরাজিত করে। বাকলিয়া আগের খেলায় শহীদ শাহজাহান সংঘ জুনিয়রকে পরাজিত করেছিল। টসে জিতে বাকলিয়া প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান সংগ্রহ করে। দলের সর্বোচ্চ রান আসে ওবায়দুল আলমের ব্যাট থেকে। তিনি ৪২ বলে ৪৬ রান করেন ৩টি চার এবং ৪টি ছক্কার সাহায্যে। এছাড়া সাকিব টিপু ১৬ বলে ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদের মধ্যে নাজমুল ইসলাম অপ. ২০ এবং ওমর ফারুক ১৮ রান করেন। এলিট পেইন্ট দলের ইফাদ বিন জয় ১৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। জবাবে এলিট পেইন্ট ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ৯৬ রান তুলে সমর্থ হয়। দলের পক্ষে প্রাঞ্জল দাশ ২৮,নিলয় অপ.১৪,সম্রাট ১৪ এবং ইফাদ বিন জয় ১০ রান করেন। অতিরিক্ত রান হয় ১০। বাকলিয়া একাদশের পক্ষে ওবায়দুল আলম ২টি উইকেট নেন। প্লেয়ার অব দি ম্যাচ ওবায়দুল আলমের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এলিট পেইন্ট দলের টিম ম্যানেজার ইমাম হোসেন রুবেল এবং বাকলিয়া একাদশের টিম ম্যানেজার আইনুল কবির জিতু। গতকাল খেলা শুরুর আগে সিজেকেএস ক্লাব সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুল কুদ্দুস সেন্টুর ইন্তেকালে উভয় দলের খেলোয়াড়, কোচ,কর্মকর্তা ও ম্যাচ অফিসিয়ালবৃন্দ এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।










