অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেছেন, বন্দর রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় থাকায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হচ্ছে না। তিনি গতকাল বিকেলে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ‘কালের ধ্রুবতারা অ্যাডভোকেট মঞ্জিল মোরসেদ’ শীর্ষক ডকুমেন্টারি ফিল্মের প্রিমিয়ার শোতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছর ধরে কর্ণফুলী রক্ষায় আমরা সাতটা মামলা জিতেছি। একই গ্রাউন্ডে বন্দরের সহায়তায় দখলকারীরা বারবার মামলা করায় কর্ণফুলী নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রামবাসী একত্রিত হয়ে এই দখলদারদের প্রতিহত না করলে একদিন কর্ণফুলী মরা নদীতে পরিণত হবে। জনস্বার্থে দায়েরকৃত সাড়ে তিনশত মামলার ঘটনা প্রবাহ এবং তার জীবনী নিয়ে ‘কালের ধ্রুবতারা এডভোকেট মনজিল মোরসেদ’ ডকুমেন্টারি ফিল্ম তৈরি করে নাগরদোলা ফিল্মস। বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরামের সভাপতি প্রকৌশলী মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে দিলরুবা খানম ছুটির উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডকুমেন্টারি নির্মাতা আলীউর রহমান। তিনি বলেন, একজন মনজিল মোরসেদ নিজ অর্থায়নে দেশের জন্য জনস্বার্থে মামলা করে যে মাইলস্টোন স্থাপন করেছেন সেটা চিরস্থায়ী থাকবে। অন্যান্য আইনজীবীদের তার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত।
প্রিমিয়ার শো উদ্বোধক চসিকের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে চট্টগ্রামের পরিবেশ কর্ণফুলী দখল ক্রমাগত বেড়ে চলেছে এবং একটা নগরীকে বায়ু দূষণের শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবুল মোমেন। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং সামাজিক অবক্ষয়ের কারণেই সমাজে সার্থকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ নিজের অবস্থান থেকে যেভাবে দেশের জন্য কাজ করে চলেছেন আমাদের তার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কাজী আবুল মনসুর, চৌধুরী ফরিদ, ইঞ্জিনিয়ার মীর্জা মোহাম্মদ ঈসমাইল, অধ্যাপক সুবীর মহাজন, তাপস হোড়, মিঠুল দাশগুপ্ত, বিশ্বজিৎ দেব, এস এম পেয়ার আলী, জাফর আহমেদ, লোকমান দয়াল প্রমুখ।












