চট্টগ্রাম বন্দরের অচলাবস্থা নিরসনে সরকার হার্ড লাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ইতোমধ্যে আমরা বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছি।
গতকাল রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। উপদেষ্টা বলেন, কতিপয় লোক পুরো চট্টগ্রাম বন্দরকে জিম্মি রাখার চেষ্টা করছে। তবে ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রধান উপদেষ্টাকে একটি চিঠি দিয়েছে। বন্দর নিয়ে চুক্তি করতে ডিপি ওয়ার্ল্ড আরো সময় চায়। প্রয়োজন হলে নির্বাচনের পরেও নেগোসিয়েশন চলবে। তিনি বলেন, তারা এখন নতুন নতুন দাবি নিয়ে আসছে। খবর বাংলানিউজের।
পলিটিক্যাল ইলেকশন আর কয়েকদিন পরে ওই কনস্টিটিউয়েন্সিতে তারা একটা গণ্ডগোল সৃষ্টি করছে। এটা নির্বাচন কমিশনের দেখার বিষয়। আমি সিইসি মহোদয়কে অনুরোধ করেছি। কারণ সেখানে নির্বাচন যদি ঠিকমতো না হয়, তাহলে পুরো দেশের নির্বাচন নিয়েই প্রশ্ন উঠবে। আমরা এই সরকার অত্যন্ত স্পষ্ট, আমরা কোনো ধরনের নির্বাচন মনিটরিং করছি না, কিন্তু সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এভাবে চলতে থাকলে এবং একইসঙ্গে তারা পুরো বন্দর জিম্মি রাখার চেষ্টা করলে সমস্যা বাড়বে। সামনে রোজা। আমরা যেখানে প্রতিনিয়ত নদীতে অভিযান চালাচ্ছি, সেখানে আউটার জাহাজে পড়ে আছে ছোলা, ডাল, তেল। তারা এভাবে ১৮ কোটি মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। এটা চলতে দেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, সবকিছু বিবেচনায় সরকার হার্ড লাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে, বাকিদেরও ধরা হবে। আশা করি, পোর্ট চালু করতে কেউ যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
রমজানকে সামনে রেখে কী করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রমজানকে সামনে রেখেই তো বটেই, আমি আগেও রমজানের কথা বলেছি। পোর্ট চালু না থাকলে চলবে না, পোর্ট চালু হতেই হবে। ১৮ কোটি মানুষকে জিম্মি রাখা যায় না। এখন তাদের যে দাবি, এগুলো অত্যন্ত সিলি দাবি। অমুককে সরাতে হবে, তমুককে আনতে হবে, এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে, কম্পেনসেশন দিতে হবে, হোয়াট ইজ দিস?
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি হবে কিনা জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডের ব্যাপারে আমরা অত্যন্ত পরিষ্কার। বিষয়টি এখনো চলমান। ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রধান উপদেষ্টাকে একটি চিঠি দিয়েছে, যেখানে তারা আরো সময় চেয়েছে। যেহেতু আমরা যে পর্যায়ে আছি সেখানে পৌঁছাতে তাদের আরো সময় প্রয়োজন। তাই প্রয়োজনে নির্বাচনের পরেও এই নেগোসিয়েশন চলবে। পোর্ট কবে চালু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মনে হয়, প্লিজ টক টু পোর্ট চেয়ারম্যান।












