বন্দরে দুদকের অভিযান

পণ্য খালাসে বিলম্ব ও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ

আজাদী প্রতিবেদন | মঙ্গলবার , ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ at ৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি ও দাম বাড়ানোর অসৎ উদ্দেশ্যে আমদানিকারকদের ইচ্ছাকৃতভাবে লাইটার জাহাজ থেকে দীর্ঘদিন ধরে পণ্য খালাস না করে নদী ও সমুদ্রে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহারসহ নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুদক। গতকাল সোমবার দুপুরে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম১ এর সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযানটি পরিচালনা করেন। এ সময় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হয়েছে। দুদক কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন দৈনিক আজাদীকে বলেন, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া, নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল পণ্য পরিবহনের স্বার্থে লোকাল এজেন্ট এবং পণ্যের এজেন্টদেরকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনা জরুরি। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনাপত্তি সনদ ব্যতীত কোনো লোকাল এজেন্ট বা পণ্যের এজেন্ট চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত থাকতে পারবে না। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌ বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর বন্দর কতৃপক্ষের বরাবর একটি অফিসিয়াল পত্র জারি করেন।

তিনি আরও জানান, এর প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উক্ত অধিদপ্তরের কাছ থেকে অনাপত্তি সনদ গ্রহণ করছেন না মর্মে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বন্দর কর্তৃপক্ষ বরাবর জারি করা অফিসিয়াল পত্রের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার অপারেশন, হারবার মাস্টার ও ডেপুটি কনজারভেটর দপ্তরের বক্তব্য গ্রহণ করেছেন। তাছাড়া, পণ্য পরিবহনে লাইটারেজ জাহাজের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির ক্ষেত্রে অস্পষ্টতার বিষয়ে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কাছে আইন ও বিধির আলোকে যথাযথ জবাব চাওয়া হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তা জানান, সংগৃহীত রেকর্ডপত্র ও বক্তব্য পর্যালোচনা শেষে অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত সময়ে এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবন্দর নিয়ে জাতীয় স্বার্থবিরোধী কিছু করবে না সরকার : নৌ উপদেষ্টা
পরবর্তী নিবন্ধভোটের আগে সহিংস ঘটনা ২৭৪টি : প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর