বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের আদেশ প্রত্যাহারে আহ্বান

১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানি প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ চাইল মেট্রোপলিটন চেম্বার

আজাদী প্রতিবেদন | সোমবার , ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ at ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ

রপ্তানি কাঁচামালের একটি জরুরি পণ্য ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের আদেশ প্রত্যাহারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি খলিলুর রহমান। গতকাল রোববার প্রধান উপদেষ্টা বরাবর লেখা এক চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি এখন টালমাটাল অবস্থায়। চলতি মাসের সমীক্ষায় দেশের রপ্তানি আদেশ বিগত সময়ের চেয়ে ১৪ শতাংশ কমে গেছে, যার প্রধান কারণ হচ্ছে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি, রপ্তানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং চট্টগ্রাম বন্দরে খরচ বৃদ্ধি। গত বছরের বিশ্ব ব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর খরচ এশিয়ার সর্বোচ্চ এবং আমাদের প্রতিযোগী দেশ ভারত, ভিয়েতনামের তুলনায় আমদানিরপ্তানি খরচ দ্বিগুণ। তার ওপর এ বছর আমাদের কাঁচামাল নামানোর খরচ প্রতি সিবিএম ডলার রেট হারে ৩০০ টাকা বৃদ্ধি করে ৬৬৫ টাকা করা, যা ১২১ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে। শ্রমিকের মজুরিও এই বছর অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমাদের পোশাক রপ্তানির বৃহৎ বাজার যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি হয়েছিল, যা আপনার দপ্তরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০ শতাংশে নামিয়ে আনায় আমরা আশান্বিত হয়েছিলাম। কিন্তু রপ্তানিকারকদের সাথে কোনোরূপ আলোচনা ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৫ম

১০৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানির ওপর যে বন্ড সুবিধার ব্যবস্থা ছিল তা হঠাৎ প্রত্যাহার করেছে। এতে আমাদের আমদানি খরচ আরো ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে বিশাল আকারের নিট পোশাক রপ্তানি বন্ধ হবে। বেকার হবে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক। অথচ যাদের প্ররোচনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্বাচনের ১ মাস আগে এই সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে, এই সুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ১০৩০ কাউন্টের সুতা উৎপাদন করে দেশের নিট রপ্তানিকারকদের চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ। এ আদেশ প্রত্যাহারে আপনার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ‘মব’ শব্দ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে বললেন তাজুল, ‘হুমকি’ বললেন প্রিন্স
পরবর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামের ২ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত স্থানান্তরের বিরুদ্ধে রিট আবেদন