লোহাগাড়ায় কালো পলিথিনে ঢেকে বনের জায়গায় পাশাপাশি দুটি পাকা ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম নারিশ্চা জাদির পাহাড়ের পশ্চিমে ইছহাক মিয়া সড়ক–সংলগ্ন এলাকায় এই ঘরগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে।
জানা যায়, স্থানীয় জনৈক নুর আলম ও জানে আলম পদুয়া রেঞ্জের আওতাধীন ডলু বনবিটের জায়গা দখল করে ঘরগুলো নির্মাণ করছেন। বনবিভাগের লোকজনকে ম্যানেজ করে ঘরগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে হবে স্থানীয়দের অভিযোগ। এভাবে সংরক্ষিত বনে স্থাপনা নির্মাণ করা হলে পরিবেশ ক্ষতির সম্মুখীন হবে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলও হুমকির মুখে পড়বে। তবে, অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। তাই এই ব্যাপারে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। গত শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ইছহাক মিয়া সড়ক–সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে পাশাপাশি জায়গা দখল করে পাকা ঘর দুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ঘর নির্মাণের কার্যক্রম আড়াল করতে কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। তবে ভেতরে চলমান রয়েছে নির্মাণকাজ। দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সচেতন মহল।
পদুয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা বজলুর রশিদ জানান, খবর পেয়ে বনবিভাগের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাকা ঘর নির্মাণের জায়গা বনবিভাগের নয়। তবে ওই জায়গা খাস খতিয়ানভুক্ত। বনবিভাগকে ম্যানেজ করে পাকা ঘর নির্মাণের বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বন কিংবা সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গায় পাকাঘর নির্মাণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বনবিভাগ বিষয়টি অবগত করলে পরিমাপপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।












